TRANSCRIPTED
আমরা আমাদের তাফসীরের এই যাত্রায় সূরা আল বাকারার শুরু থেকে নিয়ে একটা খুব চমৎকার জায়গায় এসে পৌঁছেছি যেখানে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এই মুসলিম উম্মাহ অর্থাৎ বর্তমান মুসলিম উম্মাহ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের প্রতি এবং আল কোরআন প্রতি ঈমান এনে যারা ইসলাম প্রবেশ করেছে। তাদের
পূর্ববর্তী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উম্মত যারা ছিল বনু ইসরাইল তাদেরকে এড্রেস করে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সূরা আল বাকারার অনেকগুলো আয়াত অবতীর্ণ করেছেন এবং আয়াতগুলো আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেন? ওমর ইবন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু থেকে একটাই উক্তি বর্ণিত আছে। তিনি বলছেন তার থেকে বর্ণিত এটা যে মাদল কমু ইন্নামাইবিহুম আল্লাহ সতালা যখন বন ইসরাইলকে এড্রেস করছেন ওরা এমন একটা জাতি যারা কম যাদের কথা বলা হচ্ছে ঘটনাগুলো তারা চলে গিয়েছে এবং তাদের বংশধর এখনো যদিও আছে কিন্তু যে মূল ঘটনাগুলো যাদের সাথে ঘটেছিল তারা চলে গিয়েছে ইন্নাবি আনতুম
আল্লাহ সুতালা তোমাদেরকে উদ্দেশ্য করছেন অর্থাৎ কিভাবে আল্লাহ সুবহানা তাআলা এই জাতিকে অসংখ্য বড় বড় নেয়ামত দেওয়ার পরেও তারা পথভ্রষ্ট হলো এবং তাদের যে অপকর্মগুলো সেগুলো থেকে এগুলো শুধুমাত্র আমাদের জন্য হিস্টরিক্যাল ফ্যাক্টস বা হিস্টরিক্যাল তথ্য সংগ্রহের মাধ্যম নয় বরং এ থেকে আমাদেরকে শিক্ষা নিতে হবে। এজন্য মজার ব্যাপার হচ্ছে আল কোরআন ও হাদিসে যে বিবরণগুলো এসেছে সেখানে ঐতিহাসিক তথ্য খুবই কম। বরং এই ও ঐতিহাসিক মানে ঘটনাটাকে বোঝার জন্য এজন্য মুফাসসিররা ইসরাইলিয়াতের সাহায্য নিয়ে থাকেন। এই ঘটনাগুলো
মুফাসসিরগণ যখন তাদের তাফসীর আলোচনা করেছেন তারা ইসরাইলিয়াতের সাহায্য নিয়েছেন। যার মাধ্যমে এই ঘটনাগুলোর গ্যাপ পূরণ হয়েছে। কারণ আল কোরআন এবং হাদিস আমাদেরকে যথেষ্ট পরিমাণে ঐতিহাসিক তথ্য দিচ্ছে না। তার কারণ কি? তার কারণ হচ্ছে এই ঘটনা বর্ণনা করার একটা অন্য উদ্দেশ্য আছে। আর সেই উদ্দেশ্য হচ্ছে যেভাবে আমাদের পূর্ববর্তী জাতিরা যে মিস্টেকগুলো করেছে সেগুলো আমাদের সামনে তুলে ধরা যেন একই মিস্টেকগুলো আমরা না করি। আজকে আমরা আমাদের যে আয়াতগুলো আছে সে আয়াতগুলো আলোচনার শুরুতে এই যে ঘটনাগুলো ঘটেছিল তার একটা সংক্ষিপ্ত বিবরণ আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।
একটা পিকচার আমাদের সামনে আসা দরকার। এখানে ফেরাউনের কথা আসবে। কারণ এই বানু ইসরাইল জাতিটার বেশ কিছু ইম্পর্টেন্ট স্টেজ আছে। এবং এই স্টেজগুলোর মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ স্টেজ হচ্ছে ফেরাউনের সাম্রাজ্যে তাদের অবস্থাটা কি ছিল? তার আগে তাদের অবস্থাটা কি ছিল? তারপরে ফেরাউনকে আল্লাহ ডুবিয়ে দেওয়ার পরে তাদের অবস্থাটা কি হলো? এই সবকিছু বোঝার জন্য ঘটনা প্রবাহটা বোঝার জন্য। কারণ আল কোরআনের মধ্যে আমাদের শিক্ষণীয় বিষয়গুলো আছে। ঠিক। কিন্তু মানুষ কৌতুহলী। আমরা জানতে চাই যে আসলে ঘটনাগুলো কি হলো কোনটার পর কোনটা হলো? মানে পুরা
পিকচারটা আমাদের সামনে না থাকলে আমাদের কাছে মনে হবে যে আমরা সবটা পুরোপুরি বুঝতে পারছি না। এজন্য একটা ঘটনা একটা একটা দৃশ্যপট আপনাদের মস্তিষ্কে আজকে আমরা আঁকতে চাই। এবং সেখানে আমরা ফেরাউনের কথা এসেছে। আজকের আয়াতগুলোতে ফেরাউনের কথা বলব। ফেরাউন প্রথমে যে জিনিসটা আমরা বলতে চাই যে ফেরাউন কোন ব্যক্তির নাম নয়। এটা একজন ব্যক্তি না। আমরা অনেক সময় ফেরাউন শুনলে মনে করি একজন ব্যক্তি। এটা প্রাচীন মিশরের শাসকদের উপাধি। প্রাচীন মিশরে অবিশ্বাসী যে শাসকরা ছিল তাদের টাইটেল ছিল ফেরাউন। এবং আজকের আয়াতে যে ফেরাউনের কথা আসবে
সেটা হচ্ছে সেই ফেরাউন যে ফেরাউন নবী মুহাম্মদ সাল্লাম সমসাময়িক ছিল। তাকে আল্লাহ সদল বলে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। তাহলে মুসা আলাইহিস সালামকে যিনি পিক যে পিক করেছিল সে এক ফেরাউন ছিল। আর পরবর্তীতে যার সময় মূসা আলাইহিস সালাম নবুয়ত লাভ করেন এবং যাকে এবং তার অনুসারীদেরকে মুসা আলাইহিস সালাম ইসলামের দাওয়াত দেন। সকল ধর্ম ইসলাম। সকল নবীর ধর্ম ইসলাম। এটা আপনারা জানেন। সেই ফেরাউন আর যেই ফেরাউনের ফ্যামিলি মুসা আলাই সালামকে পিক করল নীলনদ থেকে ভেসে আসলেন মুসা আলাইহি সালাম এই দুই ফেরাউন সম্ভবত এক নয় তো যাই হোক এগেইন এই কোন
ডিটেইলসই কোরআনের মধ্যে নাই কেন কারণ এটা ম্যাটার করে না মূল বিষয় হচ্ছে শিক্ষণীয় বিষয়টা আচ্ছা এখন আমরা যদি আবার একটু এই জিনিসটা ফিরে যাই এই চার্টটা আমাদের সামনে ছিল আপনারা যদি দেখেন ইসরাইলের এই চার্টের মধ্যে কিছুটা তাদের স্টেজটা আপনি বুঝতে পারবেন। দেখেন বনু ইসরাইল কারা? ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম তার দুই সন্তান ইসমাইল এবং ইসহাক দুজনই নবী এবং ইসহাক আলাইহি সালামের সন্তান ইয়াকুব আলাই সালাম তিনিও নবী। তার টাইটেল হচ্ছে ইসরাইল। আল্লাহর অনুগত সৎকর্মশীল বান্দা। এটা তার টাইটেল উপাধি। এবং তার 12 জন সন্তান এরাই হচ্ছে বনু ইসরাইল এবং এই 12 সন্তানের
বংশধর। এজন্য বন ইসরাইলের 12 টা গোত্র। এই 12 সন্তানের মধ্যে একজন হচ্ছেন ইউসুফ আলাইহিস সালাম। এই যুগটায় ইউসুফ আলাইহিস সালামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে ভাইয়েরা তাকে একটা কুয়ার মধ্যে সরিয়ে ফেলল। তারপরে একটা কাফেলা সেই কুয়া থেকে তাকে পেয়ে তাকে নিয়ে চলে গেল মিশরে। এই কিন্তু ইউসুফ আলাইহিস সালাম মিশরে চলে গেলেন। দাস হিসেবে তাকে মিশরে নিয়ে যাওয়া হলো এবং সেখান থেকে আল্লাহ সুবহানা সুবহানাহুওয়া তাআলা ইউসুফ আলাইহিস সালামকে সেই মিশরের একজন ক্ষমতাধর একজন ব্যক্তিতে পরিণত করলেন যিনি যাকে অর্থমন্ত্রী বলা যেতে পারে একভাবে চিন্তা
করলে অথবা খাদ্যের ভান্ডার যার কাছে ছিল এবং এতটাই ক্ষমতাধর পজিশনে তিনি চলে যান ইউসুফ আলাইহিস সালাম যে সেই দেশের তখনকার যিনি যে প্রধান হতো তাকে মালিক বলা হতো। ফেরাউন টাইটেলটা পরে আসছে। হিস্টরিক্যালি ঐতিহাসিকরা বলেন যে মিশরের শাসকের নাম যে ফেরাউন এই নামটা পরে এসেছে। তাইলে ইউসুফ আলাইহিস সালাম যখন মিশরে প্রতিষ্ঠা পেলেন সেটা সূরা ইউসুফ পড়লে আপনারা পেয়ে যাবেন এবং আমরা ইনশাল্লাহ আল্লাহ যেন আমাদেরকে সূরা ইউসুফ এ পৌঁছান। সেটা অধ্যয়ন করার তৌফিক দান করেন এবং এর উপর সবকিছু উপর আমল করার তৌফিক দান করেন। আমাদের জীবনে
কোরআনকে ধারণ করার তৌফিক দান করেন। কোরআন শিখতে শিখতে এবং শিখাইতে শিখাইতে আমাদের যেন মৃত্যু হয়। এবং আমাদেরকে আমাদের হাশর যেন কোরআন চর্চাকারীদের দলে হয়। প্রকৃত কোরআন চর্চাকারীদের দলে আল্লাহ যেন আমাদেরকে উঠায়। এই নিয়ত নিয়ে কিন্তু আমরা কোরআন অধ্যয়ন করব এবং মানুষের সাথে মানুষের সাথে শেয়ার করার মাধ্যমেও আমরা অনেক দাওয়াতি কাজ করতে পারি। আমাদের সবাইকে আলেম হতে হবে। সবাইকে খুব বেশি জানতে হবে এমনটা শর্ত না। এই বিষয়ে ইনশল্লাহ ভবিষ্যতে আরো আলোচনা করব। যাই হোক তাহলে দেখেন যে ইউসুফ আলাইহিস সালামের ঘটনাটা পুরাটা সূরা ইউসুফ এর মধ্যে আছে
সেখানে ইউসুফ আলাইহিস সালাম যখন মিশরের প্রতিষ্ঠা পেলেন তখনকার যে রাষ্ট্র মিশরের রাষ্ট্রপ্রধান ছিল তাকে মালিক বলা হয়েছে আল কোরআনে তাকে ফেরাউন বলা হয় নাই সো টাইটেলটা মেবি পরবর্তীতে পরিবর্তন হয়েছে কোন কারণে মালিক সম্পূর্ণরূপে ইউসুফের সাথে হাতে দেশ ছেড়ে দিয়ে হয়তো সে নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছে অথবা সে তার রাজ রাজত্ব নিয়ে মানে সে রাজা তার যে জীবন রাজার জীবন সেটা নিয়ে সে পড়েছিল। মিশরে সবকিছু সব বিষয় মিশরের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং তাদের মধ্যে খাদ্য বন্টন এই সবকিছু এগুলো ম্যানেজমেন্ট এই সবকিছু
ইউসুফ আলাইহিস সালামের দায়িত্ব ছিল এবং তাকে মানুষ ভীষণ ভালোবাসতো। তারা ইসলাম গ্রহণ বা করুক বা না করুক তারা ইউসুফ আলাইহি সালামকে ভালোবাসতো ইউসুফ আলাই সালামের কর্তৃত্ব তারা মেনে নিয়েছিল এবং [গলা পরিষ্কার করা] এবং মজার ঘটনা এগুলো ইসরাইলিয়াতের মধ্যে আসছে এখানে ঘটনা কিন্তু অনেক কিছু আমরা বলব হ্যাঁ অনেকগুলো ঘটনা আমরা ঘটনা এখন বর্ণনা করব যেটা আমাদের বানু ইসরাইলের কে আল্লাহ কি বললেন এটা বুঝতে আমাদের কাজে লাগবে এই সব ঘটনার সোর্স কোথায় সোর্স হচ্ছে ইসরাইলিয়াত এটা মাথায় রাখবেন মুফাসসিররা এগুলো বর্ণনা করেছেন। সালাফদের থেকে শুরু
করে। তাইলে এটা কোন বিদাত না। আল কোরআনের তাফসীর করতে গিয়ে ইসরাইলিয়াতের ব্যবহার নিয়ে অনেক একটু যাদের মানে হয়তোবা একটু মডার্নিস্ট চিন্তাভাবনা তারা এখানে আপত্তি করেন। কোন আপত্তি করার সুযোগ নাই। কারণ এটাই হচ্ছে আমরা বলি যে আমরা সালাফ। আমাদের পূর্ববর্তী মনীষী এবং আমাদের পূর্ববর্তী সৎকর্মশীল সাহাবীরা তাবে তাবেঈ তাদের পথের উপর আমরা চলতে চাই। আপনি তাফসীর প্রাচীন তাফসীর খুলেন দেখবেন কি দেখবেন? সাহাবী তাবে তাবে তাবে তাদের থেকে অনেক ইসরাইলিয়াত বর্ণিত হয়েছে বন ইসরাইলের থেকে প্রাপ্ত ঘটনা এই ইসরাইলের ইসরাইলিয়াত বর্ণনা করার ক্ষেত্রে আমরা
যদি সঠিক প্রিন্সিপাল জানি তাহলে এটা নিয়ে কোন সমস্যা নাই সেটা কি এক নম্বর এটা বর্ণনা করা বৈধ কাজেই সাহাবী তাবে তাবে তাবেঈ এবং অন্যান্য পরবর্তী মুফাসসির ইমাম তাবারি ইবনুল কাসীর সমস্ত কুরতুবি তারা যে ইসরাইলিয়াত বর্ণনা করেছেন এরকম কোন দোষ হয় নাই এটা জায়েজ বর্ণনা করা জায়েজ এক নম্বর দুই নম্বর প্রিন্সিপাল যেটাতে আমরা পথভ্রষ্ট না হওয়ার জন্য খুব জরুরি সেটা হচ্ছে এটাকে সত্য মিথ্যা কোনটাই বলা যাবে না প্রমাণ ছাড়া যদি এই ঘটনার কোনটা কোরআন হাদিসের সাংঘর্ষিক হয়ে যায় এটা মিথ্যা যদি সাংঘর্ষিক যদি মিলে যায় তাহলে সত্য যদি
নাও মিলে সাংঘর্ষিকও না হয় বলা যাবে না যে সত্য না মিথ্যা কিন্তু বর্ণনা করা যাবে তিন নম্বর কথা হলো তার ফায়দা কি ফায়দা হচ্ছে এই জায়গায় যেগুলো আমরা সাংঘর্ষিক পাচ্ছি না সেগুলোকে যদি আমরা বর্ণনাটা নিয়ে আসি তাহলে পুরো ঘটনাটা বুঝতে আমাদের সহজ সহজ হবে আমাদের জন্য। আচ্ছা তাহলে এইজন্য আপনি দেখেন যেটা বলছিলাম আমরা যে তাহলে এটা হচ্ছে ইউসুফ আলাই সালামের যুগ। আচ্ছা তখন মিশরে যখন ইউসুফ প্রতিষ্ঠা লাভ করলেন সারা বিশ্বে দুর্ভিক্ষ দেখা দিল বা সমসাময়িক আশেপাশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিল। তখন শাম থেকে শাম অঞ্চল থেকে আপনার ফিলিস্তিন অঞ্চল থেকে তখন ইউসুফ
আলাই সালামের ভাইয়েরা তারা খাদ্যের সন্ধানে মিশরে আসলো তারা দুইবার আসলো এবং শেষ পর্যন্ত তারা বুঝতে পারলো যে এই হচ্ছে সেই ইউসুফ ইউসুফ তাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন এবং বললেন সবাইকে নিয়ে এখানে চলে আসো এই হচ্ছে বনু ইসরাইলের মাইগ্রেশন খেয়াল করেন বনু ইসরাইল এই সময় কারণ সব 12 টা ভাই এরাই তো বু ইসরাইল এ তাদের বংশধর এই সময় বনু ইসরাইল যারা বর্তমানে ইহুদি তাদের বংশধর হচ্ছে প্রথম ইহুদি এবং অতীতে ইহুদি যাদেরকে বলা হয় মোট কথা এই ইহুদিরা বাবনু ইসরাইল তারা ইউসুফ আলাইহি সালামের সময় মাইগ্রেট করে মিশরে চলে আসলো ইউসুফ তারা শত্রুতা করেছিল ইউসুফ আলাইহি
সালামের সাথে কিন্তু পরবর্তী ইউসুফ আলাইহি সালাম তাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং তাদের মধ্যে মিলমিশ হয়ে যায় এবং তারা সবাই মাইগ্রেট করে ইয়াকুব আলাইহি সালাম সহ ইয়াকুবের স্ত্রী এবং এই 12 সন্তান ইউসুফ আলাই সালাম ছাড়া আরো 11 সন্তান সবাই এবং তাদের যত বংশধর সবাইকে নিয়ে তারা কোথায় চলে আসেন সবাইকে নিয়ে তারা মিশরে চলে আসলেন তাহলে মিশরে বনু ইসরাইল প্রতিষ্ঠা লাভ করল পরবর্তীতে কত বছর পরে আমরা জানিনা কিন্তু পরবর্তীতে একসময় মুসা আলাইহিস সালাম এবং হারুন আলাইহিস সালামের জন্ম যখন হলো এই সময়টায় আমরা দেখতে পাচ্ছি যে তখন
মিশরের শাসকের টাইটেল হচ্ছে ফেরাউন এবং ফেরাউনরা যেহেতু একজন ব্যক্তি না তাদের সবার টাইটেল ফেরাউন ফেরাউনরা বনু ইসরাইলের উপর ভয়ানক নির্যাতন চালিয়েছে তাহলে বেসিক্যালি যেটা আমাদেরকে এথনিক মাইনরিটি বলা হয় কারণ ইউসুফ আলাইহিস সালাম মিশরে ক্ষমতা পেয়েছিলেন লে ঠিকই কিন্তু মিশরবাসী সবাই মুসলিম হয়ে যায় নাই। তো সেইজন্য যখন বানু ইসরাইল সেখানে মাইগ্রেট করে আসলো যেটা বোঝা যাচ্ছে যে মিশরে পাশাপাশি দুইটা জাতি বসবাস করতো। একটা হচ্ছে অরিজিনাল মিশরী ওরা। এবং ওরা অবিশ্বাসী ছিল হয়তোবা বেশিরভাগ। আর এবং তারা পরবর্তীতে ফেরাউনের দলবল হলো।
আর আরেকটা হচ্ছে কারা? বনু ইসরাইল। এবং আস্তে আস্তে বোঝা যাচ্ছে এই এই ঘটনাগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে যে পরবর্তীতে যখন মুসা আলাইহিস সালামের জন্ম যে সময়টায় হয় এবং তার ভাই হারুন আলাইহিস সালাম তারা দুজনই নবী ওই সময়টায় ফেরাউনরা তাদের উপর খুব কঠিন তাদের নির্যাতন কঠিন মাত্রায় চলে গেছে তাদেরকে তারা বিভিন্ন কায়িক পরিশ্রম এগুলোতে তারা ব্যবহার করত তাদের উপর নির্যাতন করত তাদেরকে নিগিত নিপীড়িত অবস্থায় রেখেছিল। এই হচ্ছে এই পর্যন্ত দেখেন এরপর যেটা বলছিলাম আমি আমি যে ইব্রাহিম আলাইহি সালামের বংশের মধ্যে অনেক নবী রাসূল আসবেন।
এই জিনিসটা ফেরাউন জানা ছিল ফেরাউনের। যে এটা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি যে ইব্রাহিম সালামের বংশে এই যে বনী ইসরাইল যারা তাদের মধ্যে নবী রাসূল আসতে থাকবে এবং এরকম একজনের হাতে এক ব্যক্তির হাতে নবী রাসূল এবং রাজা বাদশারা আসবে। হ্যাঁ দুই রকম নবী রাসূলদের কাছে থাকবে ধর্মীয় অথরিটি এবং তাদের পাশাপাশি রাজা বাদশা থাকবে যাদের কাছে রাষ্ট্র ক্ষমতা থাকবে যার মধ্যে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা যার মাধ্যমে তাদেরকে দুনিয়াবী এবং দ্বীনি নেতৃত্ব দান করবেন এটা এটা আল্লাহ সুবহানাতালা একটা প্রমিস এবং এটা সৎকর্মশীল তাদের মধ্যে যারা
সৎকর্মশীল তাদের মাধ্যমে এটা থাকবে তারা যখন অন্যায় লিপ্ত হবে তাদের উপর অন্য জাতি চড়া হবে এটা আমাদের ক্ষেত্রেও সত্য। এটা বনু ইসরাইলের ক্ষেত্রেও সত্য ছিল। তাদের পাপের কারণেই ফেরাউনকে চড়া ফেরাউন চড়া চড়া হয়েছিল তাদের উপর। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাতালা কত বড় অনুগ্রহ তাদের মধ্যে নবী রাসূল পাঠানো তানি বন্ধ করেননি। নবী রাসূল আসছে তাদেরকে গাইড করছে তাদেরকে সংশোধন করছে এবং তৎকর্মশীল রাজা। তাদের বর্ণনা আসছে তালুতের কথা এসেছে সূরা বাকারায়। তালুত একজন রাজা ছিল। তৎকর্মশীল রাজা ছিল। এবং তাদের মাধ্যমে আবার আল্লাহ সুতা তাদের তাকে বিজয় দান
করবেন। এই ধারাবাহিকতা এটা ছিল অব্যাহত এবং ফেরাউন সামহাও জানতে পারে যে এরকম এক ব্যক্তির হাতে ফেরাউনের পতন হবে বা ফেরাউনদের পতন হবে। কিভাবে সে জানতে পারে? এ সম্পর্কে বিভিন্ন ইসরাইল বিভিন্ন বর্ণনা আছে। তখন জ্যোতিষী গণক এরা ছিল। জ্যোতিষী গণকরা তখন অনেক কিছু কারেক্টলি প্রেডিক্ট করতে পারতো। দেখেন গাইবের জ্ঞান আল্লাহ ছাড়া কারো নাই। এটা আমাদের আকিদা। কিন্তু এই যে গাইবের জ্ঞানটা যখন ফেরেশতাদের কাছে আল্লাহ সুবহানাতালা অবহিত করেন যে এরকম কিছু ঘটতে যাচ্ছে সামনে কিছু ঘটবে কারণ ফেরেশতাদের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতালা পৃথিবীতে অনেক
কিছু ঘটান ফেরেশতাদের অনেক কিছু জানা থাকে বা আল্লাহ জানান তাদেরকে আল্লাহ জানান বলেই তারা জানতে পারে জীনরা এই ফেরেশতাদের আলোচনা চুরি করতে পারে এটা অতীতকাল থেকে তারা পারতো কিন্তু অতীতের পরিমাণ অনেক বেশি ছিল যখন আল কোরআন অবতীর্ণ হবে তখন আল্লাহ সুতালা আকাশকে সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত করলেন এবং তারপর থেকে ওভারঅল আসমানের সংবাদ চুরি হওয়ার মাত্রা কমে গিয়েছে। এজন্য ভবিষ্যৎবাণী বেশি একটা মিলে না। প্রথমত কোরআন নিয়ে এসেছেন জিব্রাইল আলাইহিস সালাম। আল্লামাহুশাদিদুল কুয়া অত্যন্ত শক্তিধর জিব্রল আলাইহি সালাম। তার
কাছ থেকে কোন প্রশ্নই নাই। কোন জীন শয়তান তার কাছে ঘেসবে। কোরআনের কোন অংশ নিয়ে এসে আগেই মানুষকে জানিয়ে দিবে। তখন মানুষ এতো আমরা আগেই জানি। এরকম কোন সম্ভাবনা নাই। সেই সাথে আকাশকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। কেউ কোন সংবাদ শুনতে পারবে না এবং শুনলেও তারপর তাকে উল্কা নিক্ষেপ করে তাকে পুড়িয়ে দেওয়া হবে। তো ফলে আল কোরআন অবতীর্ণ হওয়ার পর থেকে নিয়ে জ্যোতিষী গণকদের কেরামতি অনেক কমে যায়। হয়তো কখনো কোন একটা জিন সে পুড়ে যাওয়ার আগে কোনভাবে আরেকজনকে জানিয়েছে সে আইসে তার এখানে যে অ্যাসিস্টেন্ট আছে পৃথিবীতে যে মানুষ যে
জ্যোতিষী গণক হ্যাঁ যে বসে মানুষকে ভবিষ্যতে কিছু বলছে তার কানের মধ্যে একটা খবর দিয়ে দেয় এর সাথে আবার 100 টা মিথ্যা কথা মিশায় এইভাবে করে তারা মানে খুব অজ্ঞ লোকদেরকে নিয়ে এখন ব্যবসা চালাচ্ছে কিন্তু একটা সময় ছিল যখন তাদের অনেক কথা সত্য হয়ে যেত। তারা অনেক কিছু এভাবে জ্বীনদের মাধ্যমে চুরি করে জানতে পারতো। তো যাই হোক এ ধরনের জ্যোতিষীদের মাধ্যমে হয়তো ফেরাউন জানতে পারে। ফলে সে যেটা কোন এক ফেরা এই ফেরাউনদের মধ্যে কোন একজন কারণ ফেরাউন একজন না যেটা আমি বললাম। সে তখন দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল যে আমার রাজত্ব অবসান হবে। তাইলে কি করো?
তাদের সন্তানদেরকে পুত্র সন্তান হয়ে তাদেরকে মেরে ফেলো। আর নারীদেরকে বাঁচিয়ে রাখো। এটার বিবরণ সামনে আয়াতের মধ্যে আসবে। বাট আপনাদেরকে ঘটনাটা আমি একটা সংক্ষেপ ইয়ে দিচ্ছি। আচ্ছা এই সময় এই অবস্থায় এই কাজ কিছুদিন চলার পরে এখন তাদের মধ্যে আরেকটা প্রস্তাব আসলো যে এইভাবে চললে তো যদি বনু ইসরাইলের পুরুষদের জনসংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পায় তাহলে আমাদের যে কাইক পরিশ্রম কষ্টকর কাজগুলো কে করবে? আমাদের নিজেদের কে আর আমাদের ছেলেপুলেদেরকে দিয়ে তখন এগুলো করাইতে হবে। এখন তো আমরা এই চাকরবাকর দিয়ে করাচ্ছি এবং খুব অমানবিক কাজকর্ম হয়তো
তাদেরকে দিয়ে করাচ্ছি। যেটা খুব অত্যন্ত কায়িক পরিশ্রমের বিষয় যেটা সাধারণ অবস্থায় কেউ মানুষ মানুষকে দিয়ে করায় না। এ ধরনের কাজগুলো হ্যাঁ তাদেরকে দিয়ে করানো হচ্ছে। তারা সব ধ্বংস হয়ে গেলে তখন এই কাজগুলো কে করবে? তখন তারা একটা সিদ্ধান্ত নিল। এগুলো সব ইসরাইলিয়াতের বর্ণনা। এর সবকিছু ঠিক হতে হবে এমন কোন কথা নাই। কিন্তু আপনি একটা দৃশ্যপট পাবেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল আচ্ছা এক বছর এদেরকে হত্যা করা হবে আরেক বছর বাঁচিয়ে রাখা হবে এক বছরে যে সন্তানগুলো জন্ম নিবে সেগুলো আমরা ছেড়ে দিব আরেক বছর হত্যা করব হারুন
আলাইহিস সালাম জন্ম নেন হত্যাবিহীন বছরে যে বছরে কাউকে হত্যা করা হবে না সেই বছর হারুন আলাইহি সালাম জন্ম নেন ফলে তিনি বেঁচে যান আর পরবর্তীতে কোন এক বছর যে বছরে নবজাতকদেরকে হত্যা করা হচ্ছে সেই বছরে মুসা আলাইহি সালামের জন্ম এবং মুসা আলাইহি সালামের জন্ম যখন হয় আল্লাহ সুবহানাতালা মুসা মায়ের প্রতি ওহী প্রেরণ করেন। ইলা উম্মে মুসা আল্লাহ সুবহাতালা তার প্রতি আল্লাহ বলছেন উম্মে মুসা মুসার মায়ের প্রতি আমি ওয়াহী অবতীর্ণ করেছি। তাকে দুধ পান করাও। আর যখন ভয় পাবে তার ব্যাপারে ভয় করবে। আল তাকে দরিয়ায় ভাসিয়ে দাও। নীল নদে তাকে
ভাসিয়ে দাও। ওয়ালাতাখাফি ওয়ালাতাহজানি। আল্লাহ আশ্বাস দিচ্ছেন। দেখেন আমি চিন্তা করি যে এই মহিলা কি সাংঘাতিক একজন পরহেজগার মহিলা ছিলেন আমার এই মুসা আলামের মা হচ্ছেন আমার অলটাইম ফেভারেট ক্যারেক্টারদের একজন। যে একজন মহিলা তার নামও আমরা জানি না। তার নামটা পর্যন্ত অথেন্টিকভাবে আমাদের কাছে হয়তো আসে নাই অথবা আসলেও জানি না। কিন্তু সেই মহিলা আল্লাহ স আল্লাহ সারার কাছে কেমন পজিশন থাকলে আল্লাহ সতালা তাকে এই ওহী পাঠাচ্ছেন ওয়ালাতাফলাতা তুমি ভয় পেও না দুঃখের কোন কারণ ইন্নাহ মুরসালিন আমি তাকে তোমার কাছে ফিরিয়ে দিব এবং তাকে
রাসূল বানাবো এবং আপনারা যারা আরবি বুঝেন ইন্নাদু ইলাইক এই বাক্যের মধ্যে যে স্ট্রেন্থ আছেটা ফিল করতে পারবেন যদি আপনি আরবি জানেন না হলে এটা আপনাকে বোঝানো মুশকিল কতটা অথরিটি এবং দাপট নিয়ে আল্লাহতালা বলছেন এবং আশ্বাস দিচ্ছেন ইন্না তাকে ফিরিয়ে দিব কোন চিন্তা কর না ভাসিয়ে দাও মানে কত কঠিন ব্যাপার একজন মায়ের জন্য তার দুধের শিশুকে ভাসিয়ে দেওয়া আল্লাহ তাকে আশ্বাস দিচ্ছেন এই ওয়াহিটা কি কেউ বলছেন এটা ইলহাম অন্তরের মধ্যে যে অনুপ্রেরণা আসে কেউ কেউ বলছেন এটা ফেরেশতার মাধ্যমে হতে পারে। কারণ ফেরেশতারা নবী শুধু নবী রাসূল কাছে আছে এমন না। অন্য
মানুষের কাছে আসতে পারে। হ্যা মারিয়াম আলাইহি সালামের কাছে এসেছিলেন জিব্রল আলাই সালাম এসেছিলেন কথা বলেছিলেন তাহলে ফেরেশতা হতে পারে। ওহীটা ফেরেশতার মাধ্যমে হতে পারে। তার মানে কিন্তু সবাই একমত যে তিনি নবী ছিলেন না। মহিলাদের মধ্যে কোন নবী নাই। কোন নবী রাসূল না মানে ওহী আসলেই নবী হয়ে যাবে এমন না কিন্তু তাহলে এখানে ওয়াহি অর্থে এটা কি ফেরেশের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে অথবা [নাক ডাকা] ইলহামের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে তৃতীয় আরেকটা মত আছে তিন রকম মানে তিন রকম ভাবে হতে পারে এটা যেটাই হোক যাই হোক এরপরে সেই শিশু মূসা আলাইহিস
সালাম ভাসতে ভাসতে কোথায় গেলেন পৌঁছালেন এসে ফেরাউনের প্রাসাদে ফেরাউনের স্ত্রী তাকে তুলে নিল যে তাকে দেখ তাকে ভালোবাসতো মুসা মহাব্বাত মিন্নি বিভিন্ন জায়গায় কিন্তু ঘটনাগুলো ছড়ছে সূরা তাহা পড়েন একরকম টেস্ট পাবেন সূরা আরাফ পড়েন আরেক রকম টেস্ট পাবেন হ্যা সূরাশোরা পড়েন সেখানে আরেক রকম টেস্ট পাবেন প্রত্যেকটা সূরা কাসাস পড়েন এই কাসাসের এই প্রথম অংশটা মানে আমার কাছে সাংঘাতিক লাগে যেখানে মুসা আলাইহিস সালাম মায়ের ঘটনা আছে তো সব জায়গা থেকে নিয়ে এসে আপনাদেরকে একটা ওভার দৃশ্য আমি পিকচারটা দিচ্ছি আপনাদেরকে আচ্ছা
এরপর পর ফেরাউনের সিতাকে তুলে নিল ফেরাউনকে বলল রিকোয়েস্টলাতাহলাদা তাকে মেরে ফেলো না একে ছেড়ে দাও আমাদের কোন কাজে আসবে অথবা তাকে আমরা সন্তান হিসেবে গ্রহণ করব হয়তোবা তার নিঃসন্তান ছিল হয়তোবা তারালাম আল্লাহ বলছেন তারা এর পরিণতি জানত না ফেরাউনের পরিবার তাকে তুলে নিল [নাক ডাকা] পরিণতি কি তারা পরিণতি জানত না পরিণত হচ্ছে সে তাদের শত্রু এবং তার দুঃখের কারণ হবে দেখেন আল্লাহ সুবহাতাার প্লান আল্লাহ সুবহানাতালা যখন আল্লাহ সুবহানাতালা যখন কোন সিদ্ধান্ত নেন দেখেন আল্লাহ সুবহানাতালার সিদ্ধান্ত আল্লাহ সুবহানাতালা যখন কোন সিদ্ধান্ত নেন
তখন সেটা বাস্তবায়ন হবেই এই নিদর্শন আল্লাহ তালা আমদেরকে দেখিয়েছেন ফেরাউন এত আয়োজন করেছে এত কত শিশুকে নবজাতককে হত্যা করেছে শুধু এই বাচ্চাটার হাত থেকে বাঁচার জন্য যেই যেই লোকটা তার পতনের কারণ হবে সে মুসা হাত থেকে বাঁচার জন্য সে এতগুলো শিশুকে হত্যা করে সেই মুসাকে আল্লাহ সুবহাতালা আমাদেরকে দেখাচ্ছেন যে তাকে ফেরাউনের কেয়ারে রেখে ফেরাউনের রাজকীয় নিরাপত্তা এবং রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতার মধ্যে রেখে ফেরাউনের শত্রুকে ফেরাউনদের পতন যার হাতে হবে তাকে আল্লাহ সুবহাতালা প্রতিপালন করার ব্যবস্থা করেছেন। ইন্নাল্লাহালা
কুল্লিশইন কাদির আল্লাহ সুবহাতালা কিভাবে সকল কিছু বাস্তবায়ন করতে পারেন এবং ফেরাউনের মাকে আফান মুসা মাকে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন না ইন্না তোমার কাছে ফিরিয়ে দিব দেখেন আল্লাহ সতালা কিভাবে এটা বাস্তবায়ন করলেন আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন সেটা অবশ্যই ইন্নাল্লাহা আলাদির আল্লাহতালা যা করতে চান তিনি সেটা করবেন এখন মুসা শিশু মুসা তাকে তুলে নিল ফেরাউনের স্ত্রী পালন করবে প্রতিপালন করবে কিন্তু সে দুধ খায় না কারো দুধের বাচ্চা দুধ খায় না আল্লাহ সুতা ব্যবস্থা করে দিলেন যে কারো দুধ সে খাচ্ছে না এখন মুসাকে ভাসিয়ে দিয়ে
মুসালামের মা তার বোনকে বলেছে যা হোক গিয়ে দেখো কই যাচ্ছে বাচ্চাটা কই যাচ্ছে তো বোন সব ঘটনা দেখেছে এখন বোন ছুটে এসে বলল যে আমি একটা ফ্যামিলির কথা জানি তারা এর কেয়ার নিতে পারবে। তখন সে মাকে নিয়ে আসলো এবং মুসা মায়ের দুধ পান করলেন। এখন দেখেন আল্লাহ সুবহাতালা কিভাবে মুসা মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন এবং তাদেরকে ফেরাউনের রাজকীয় কেয়ারে তাদেরকে প্রতিপালন করলেন যেই মুসা আলাই সালাম হাতে এই ফেরাউনের পতন হবে। আল্লাহ সুতালার কি প্ল্যান। এরপর মুসা বড় হওয়ার পর একবার সবাই জানত তিনি বনু ইসরাইল। ফেরাউনও জানতো যে এই শিশুটা ভেসে আসছে মানে কি? কেউ
প্রাণের ভয়ে তাকে ভাসিয়ে দিয়েছে। তো এটা জানা ছিল। তা মুসা আলাইহি সালাম যে অরিজিনাল মিশরী না সে যে ইহুদিদের মাঝে তার জন্ম বন ইসরাইলের মাঝে তার জন্ম এটা জানা ছিল। তো একবার সে তিনি একটা ঝগড়া দেখতে পেলেন দুজন বন ইসরাইল এক লোক আর মিশরী এক লোক তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছে অথবা মারামারি হচ্ছে। তিনি বন ইসরাইলের এই লোকটাকে বাঁচাইতে গিয়ে ওই মিশরীকে একটা ঘুষি মেরে বসলেন। সে মারা গেল। ঘুষি খেয়ে মারা গেল। খুব শক্তিশালী ছিলেন মুসা আলাইহি সালাম। [নাক ডাকা] এই ঘটনার পর এবং তারপর তিনি তওবা করে নেন। আল্লাহ তার তওবা
কবুল করেন। কারণ তিনি হত্যা করতে চাননি। কিন্তু তারপরও কাজটা ঠিক ছিল না। তিনি তওবা করেন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। [নাক ডাকা] এই ঘটনায় ফেরাউনের নেতৃস্থানের লোকেরা অসন্তুষ্ট হলো যে হ্যাঁ মুসার বার বেড়ে গিয়েছে। এবং তারা তখন মুসা [গলা পরিষ্কার করা] আলাইহি সালামকে মারার জন্য তারা পরিকল্পনা আলাপ আলোচনা করতে লাগল। এ সম প্রাণ ভয়ে পালিয়ে গেলেন এবং পালিয়ে তিনি মিশর থেকে মাদিয়ান অঞ্চলে চলে আসলেন। এই মাদিয়ান অঞ্চলটা সম্ভবত এখন সৌদি আরবের মধ্যে এরকম একটা জায়গায় পড়ে। এখানে কিন্তু [নাক ডাকা] মিশর এদিকে হচ্ছে আপনার বর্তমান যেটা সৌদি
আরব যেটাকে আমরা বলি এবং শাম অঞ্চল। হ্যাঁ মিশর এবং শাম অঞ্চল এবং সৌদি আরব। এর মাঝখানে কিন্তু আছে আপনার রেড সি যেখানে ফেরাউনকে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এর এখানে একটা সিনাই একটা এটাকে বলে হলো কি বলে এটাকে সমত উপদ্বীপ বলে সিনাই উপদ্বীপ এখানে মুসা আলাই প্রতি নবুয়ত আসে তো দেখেন মিশর থেকে মাদিয়ানে চলে গেলেন মুসা পালিয়ে মদিনে বিয়ে শাদী করলেন এবং তারপর একটা সময় তিনি আবার মিশরে ফিরে আসবেন মিশরে ফিরে আসার পথে হ্যা মিশরে ফিরে আসবেন ফিরে আসার পথে তখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা মুসা মুসা আলাইহিস সালামের সাথে কথা বললেন
এবং তাকে নবুয়ত দান করলেন এবং এইবার তাকে ফেরাউনের কাছে প্রেরণ করা হলো। অর্থাৎ তিনি মিশরে ফিরে আসছিলেন ফেরাউনকে দাওয়াত দেওয়ার জন্য না কিন্তু পথিমধ্যে মুসা আলাই সালামের প্রতি নবুয়ত আসলো রিসালাত আসলো এবং ফেরাউনের মত নিকৃষ্টতম লোককে কঠিনতম লোককে দাওয়াত দেওয়ার জন্য আল্লাহ সুবহাতা মুসা আলাই সালামকে সিলেক্ট করলেন তিনি বললেন যে হারুন কে আমার সাথে নবী বানিয়ে দিন তার দোয়ায় তার ভাই হারুন নবুত লাভ করলেন আলেমরা বলেন যে ভাইয়ের দোয়ায় কোন ভাই যে কল্যাণ লাভ করতে পারে তার হায়েস্ট কল্যাণের উদাহরণ হচ্ছে হারুন আলাইহি সালাম। ভাইয়ের দোয়ার
কারণে তাকে আল্লাহ নবী বানিয়ে দিয়েছিলেন। আচ্ছা এখন মুসা আলাই সালাম মিশরে আসলেন। ফেরাউনকে দাওয়াত দিলেন তারা ফেরাউন দাওয়াত কবুল করলো না। নিদর্শন দেখালেন। সাপ লাঠি সাপে পরিণত হয়। এবং হাত উজ্জ্বল হয়ে যায় এবং আরো অনেক নিদর্শন দেখালেন। ওই সাপের নিদর্শন দেখে সেখানকার জাদুকররা পর্যন্ত। জাদুকরদের লিডারগুলো সব ইসলাম গ্রহণ করল এবং তাদেরকে ফেরাউন মেনে ফেলল বমিসের উপর নির্যাতন বাড়িয়ে দিল এক পর্যায়ে আল্লাহ সুবহানাতালা আদেশ দিলেন যে এবার তোমরা মিশর থেকে মাইগ্রেট করো রাতের অন্ধকারে হ্যাঁ মুসা আলাইহি সালাম বলেছেন আমাদেরকে ছেড়ে দাও ফেরাউনকে
বলেছে ফেরাউন তাদেরকে ছাড়বে না আমাদেরকে নির্যাতন করো না আমাকে ছেড়ে দাও বন ইসলামকে ছেড়ে দাও আমার সাথে ফেরাউন ছাড়বে না আল্লাহ আদেশ দিলেন রাতের অন্ধকারে মুসা আলাইহিস সালাম বন ইসলামকে নিয়ে বের হয়ে পড়লেন এবং বের হতে ভর হয়ে গিয়ে সাগর তীরে চলে গেলেন। রেড সি তীরে পর্যন্ত সমুদ্রে পৌঁছে গেলেন। সামনে আর পথ নাই। ফেরাউনের বাহিনী তাড়া করে আসছে। এই সময় আল্লাহ সুবহানা তায়ালা আদেশ দিলেন, লাঠি দিয়ে আঘাত করলেন মুসা আলাইহি সালাম এই সমুদ্র ভাগ হয়ে 12 টা গোত্রের জন্য 12টা রাস্তা তৈরি হয়ে গেল। আলেমরা বলে থাকেন প্রশ্ন করেন যে পৃথিবীতে
একটা জায়গা আছে যেখানে এক ঘন্টার জন্য সূর্যের আলো পৌঁছেছিল সেই জায়গাটা হচ্ছে রেড সির নিচের যে ভূমিটা কারণ কিছুক্ষণের জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়ালা সেখান থেকে পানি সরিয়ে দেন এই একবার মাত্র সেই জায়গাটা সূর্যের আলো পেয়েছে আর কখনো আগেও না সূর্যের আলো পায়নি পরে আর পাবে না এ ধরনের একটা বক্তব্য আলেমদের মাঝে আছে খুব সুন্দর লেগেছে কথাটা আমার কাছে আচ্ছা এখন এই রাস্তা ধরে বনু ইসরাইল পার হয়ে গেল। ফেরাউন যখন এর পিছনে পিছনে ঢুকে গেল সম্পূর্ণ ফেরাউন ঢুকলো ফেরাউন দেখা দেখি। এখানে একটা ঘটনা আছে এটা প্রাসঙ্গিকের
জন্য বলছি। সেটা হচ্ছে এগুলো আগেই বলছি আবার বলছি ইসরাইলিয়াদের ঘটনা। ফেরাউন তার ফেরাউনের ঘোড়া এই জায়গায় নামতে হেজিটেট করছিল। তখন জিবরীল আলাইহিস সালাম একটা ফিমেল ঘোড়া নিয়ে সেখানে আসেন এবং ফিমেল ঘোড়ার পিছে পিছে ফেরাউনের ঘোড়া চেস করে পিছনে পিছনে এইখানে ঢুকে পড়ে আর ফেরাউনকে ঢুকতে দেখে সব তার বাহিনী ঢুকে যায় যখন সবাই এর মধ্যে ঢুকে গেল এবং বানু ইসরা সবাই বের হয়ে আসলো তখন মুসা আবার আঘাত করলেন পানি আগের মত হয়ে গেল সব ডুবে [নাক ডাকা] মারা গেল এই হচ্ছে ফেরাউন এবং ফেরাউনের বিশাল বাহিনী দলবল কিভাবে ধংস হয়ে গেল।
হ্যা এখানে ঘটনাটা প্রসঙ্গ এজন্য যে জিব্রীল আলাইহি সালাম যে ঘোড়া নিয়ে এসেছিলেন জিব্রল সালামকে বানু ইসরাইলের সাথে একটা লোক ছিল। কেউ কেউ বলে সে অরিজিনাল বন ইসরাইল না। লোকটার নাম হচ্ছে সামিরী। এই লোকটার নাম আল কোরআনের মধ্যে এসেছে সামিরী। এই সামিরী সে কি করল? সে [গলা পরিষ্কার করা] টের পেল যে এইটা হচ্ছে জিবরীল। ফেরেশতা। সামহাউ সে টের পেয়েছে এবং এটা নিয়ে অনেক গল্প গল্প আছে যে কিভাবে টের পেয়েছে এত কিছু ডিটেইলস আমার দরকার নাই কারণ এর মধ্যে অনেক ভুল তথ্যই থাকতে পারে সে কি করল এই জিব্রীল আলাই সালামের ঘোড়ার
খুরের যেখানে পড়েছে সেখান থেকে খুরের চিহ্ন থেকে একটু মাটি উঠিয়ে নিল দেখেন এটা খেয়াল করার মত যে তার কাছে মনে হল যে এটার মধ্যে একটু বরকত আছে এই মাটির মধ্যে কিছু একটা বরকত থাকবে কারণ ফেরেশতার ঘোড়ার মাটি দেখেন আমাদের সাথে মিলে কিনা আমাদের কত রকম কত বরকটময় মাটি টাটি কত কিছু আছে না আমাদের সমাজে প্রচলিত তো তার কাছে মনে হলো যে এই মাটি দিয়ে কিছু একটা করা যাবে এই মাটি আমি একটু রেখে দেই এটা হচ্ছে কে সামিরী আচ্ছা এখন এই ঘটনা মনে রাখেন এরপর কি হলো বনু ইসরাইল এখন সবাইকে নিয়ে মুসা আলাই সালাম রেড সি ক্রস করে ওই অঞ্চলে চলে
গিয়েছেনশামচ অঞ্চলের দিকে চলে গিয়েছেন। হ্যাঁ। সমুদ্রের ওইপার চলে গিয়েছেন এবং এই অবস্থায় অথবা সিনাই পর্বতমালা যে অঞ্টা উপদ্বীপটা সেই দিক দিয়ে হয়তো তারা গিয়েছেন। তো সেখানে এখন আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আবার মূসা আলাইহিস সালামের সাথে একটা অধিবেশন ঠিক করলেন। 40 দিন অধিবেশন তুর পাহাড়ে। সেখানে আল্লাহ সুবহানাতালা মুসাকে তাওরাত দান করবেন এবং তার সাথে মুসা আলাই সালামের কথোপকথন হবে মুসা আলাইহি সালাম যখন আল্লাহর সাথে এই অধিবেশনের জন্য তুর পাহাড়ে চলে গেলেন হারুন আলাইহিস সালামকে রেখে গেলেন বানু ইসরাইলের দায়িত্বে
এবং মুসা আলাইহি সালাম একটু শক্ত মানুষ ছিলেন হারুন আলাইহিস সালামকে তারা খুব একটা ওইভাবে মুসা আলাই সালামের মত মানতো এরকম না এই সময় একটা ঘটনা ঘটলো কি মিশর থেকে বের হওয়ার সময় বনু ইসরাইল মিশরীদের অনেক গয়নাঘাটি সাথে নিয়ে এসেছিল এখন এগুলো ধার করা গয়নাঘাটি তাদের সাথে ছিল এগুলো তারা নিয়ে এসেছে এখন তারা চিন্তা করল যে এই স্বনালংকার গুলো নিয়ে আমরা কি করবো এটা আমাদের জন্য বৈধ না অবৈধ তারা ঠিক করল যে আমরা এই সবকিছু আগুনে গলিয়ে একটা বড় খন্ড বানিয়ে রেখে দিব। মুসা আলাই সালাম এসে যে সিদ্ধান্ত তিনি শরীয়ত নিয়ে আসছেন,
তাওরাত নিয়ে আসবেন। তিনি এসে যে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটাই হবে। এই জায়গায় যখন সবাই আগুনে ফেলছে তাদের অলংকার। এই সময় সামির মনে হলো যে আমি যদি এই জিব্রলামের ঘোড়ার পায়ের মাটি এখানে ফেলে দিয়ে কিছু বলি এটা হয়ে যাবে। যা আমি চাইবো এটা হয়ে যাবে। এবং আল্লাহ সুবহানা তাআলা পরীক্ষা করার জন্য আদেশ দিলেন সিদ্ধান্ত দিলেন যে সে যেটা চাইবে এটাই হবে কি হলো সে বলল যে একটা বাছুর হয়ে যাও স্বর্ণের বাছুর যেটা হাম্বা করবে এবং তাই হলো একটা এই সমস্ত স্বর্ণ একটা বাছুরের রূপ ধারণ করল এবং সে হাম্বা ডাকে কেউ কেউ বলেছেন যে তার ভিতরটা ফাপা ছিল
একদিক দিয়ে বাতাস ঢুকে একদিক বের হলে সে হাম্বা ডাক দিত যেটাই হোক দেখেন এই ধরনের কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা পৃথিবীতে আল্লাহ ঘটতে দেন মানুষের ঈমানকে পরীক্ষা করার জন্য। কিন্তু কেউ একটু চিন্তা করলেই বুঝতে পারে যে এতে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নাই। ঠিক আছে। এটা পৃথিবীর জাগতিক নিয়মের থেকে একটু বাইরে। কিন্তু এটা আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়েছে। এটার কি ক্ষমতা আছে? তারা এই বাছরের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল যে হাদা ইলাহুবা ইলাহু মুসা হ্যাঁ ঘোষণা করে দিল যে এটা তোমাদের এবং মুসার মাবুদ এই আসল মাবুদ মুসার সবাই এখন এই বাছুরের কাছে
গিয়ে একদম বসে গেল তারা বাছুর পূজায় লিপ্ত হয়ে গেল তাদের কাছে মনে খুব সাংঘাতিক হাম্বা ডাক দিচ্ছে বাছুর হয়ে গেছে আল্লাহ বলছেন আফলা আল্লা তারা কি দেখলো না যে সে কোন কথার জবাব দেয় না এবং তাদের কোন কল্যাণ বা অকল্যাণের মালিক এই বাছুর নয় এটা কি তারা বুঝতে পারলো না সহজ কথা তারাই স্বর্ণালংকার গুলো নিক্ষেপ করেছিল এখানে যে কারণ যে কোোন কারণেই হোক এখানে হাম্বা আওয়াজ আসতেছে বা যেটাই হয়েছে কিন্তু এটা বিভিন্ন কারণে হইতে পারে তার মানে এই না যে মাবুদ হয়ে গিয়েছে কিন্তু তারা এই বাসুর পূজায় লিপ্ত হয়ে গেল
এই যে স্বর্ণের বাছুর এটা তারা এই বাছুর পূজাতে লিপ্ত হল এবং দেখেন তাদের এই পাপটা খুব কঠিন একটা মানে এটা তাদের হৃদয়ের কাঠিনের পরিচয় দেখেন ফেরাউনের হাত থেকে তারা কতটা অলৌকিকভাবে রক্ষা পেয়েছে এরকম অলৌকিক নিদর্শন কিন্তু আমি আপনি দেখি নাই আমাদের চোখের সামনে তারা যেটা দেখেছে যেভাবে আল্লাহ সুবহানাতালা ফেরাউন হাত থেকে তাদেরকে মুক্তি দিলেন কবল থেকে রক্ষা করলেন এরপরেও যখন তারা এবং তাদেরকে কত অনুগ্রহ নিয়ামত দিয়েছেন যেগুলো বিবরণ একটু একটু করে আসবে এরপরেও যখন তারা প্রথম সুযোগেই আল্লাহকে ভুলে গিয়ে শিরকে লিপ্ত হয়ে গেল
এটা তাদের অন্তরের কাঠিনের পরিচয়ক এবং এইজন্য আল্লাহ সুবহাতালা এরপরেও তাদের কে ক্ষমা করলেন কিন্তু তাদেরকে ক্ষমা করার জন্য কঠিন একটা প্রক্রিয়া নির্ণয় করলেন এই কোট প্রক্রিয়াটা আপনার কাছে কঠিন মনে হবে আপনার কাছে কিন্তু আসলে আপনি চিন্তা করলে দেখবেন যে এটা এক নম্বর তাদের অন্তরের কাঠিনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দুই নম্বর এর মধ্যে দিয়ে আল্লাহ তাদেরকে অনেক বড় কল্যাণ দিয়েছেন। সেটা কি? সেটা হচ্ছে আল্লাহ সুবহানাতালা আদেশ দিলেন যে এই যখন মুসা আলাই সালাম ফিরে আসার পরে যে এই কঠিন গুনাহ থেকে এই যে শিরকে তারা
লিপ্ত হয়ে গেল এটা থেকে তওবার প্রক্রিয়া হবে কি? সবাই অস্ত্র তুলে নিয়ে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত একে অপরকে হত্যা করবে। এটা হচ্ছে ক্ষমা লাভের প্রোটোকল। এবং বিশেষভাবে এটা বনু ইসরাইলের হৃদয়ের কাঠিনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ তারা অত্যন্ত দুষ্টু প্রকৃতির একটা জাতি জাতিগতভাবে এবং তাদের এর নমুনা আপনার আমাদের চোখের সামনে বর্তমানেও আছে। কিন্তু আল্লাহতালা তো তওবার সুযোগ দিলেন যদি একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্টার্ট হবে। একটা সময় মুসা ইশারা করবেন শেষ হয়ে যাবে। এর মধ্যে যারা মারা যাবে তাদের জন্য শাহাদাত হবে। দেখেন এরপর দেখেন
যে যারা মারা যাবে এটা তাদের শাহাদাত হিসেবে গণ হবে যারা বেঁচে থাকবে এটা তাদের জন্য তওবা হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে তাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন এত বড় বড় অপরাধ করার পরেও তাহলে যারা মারা গিয়েছে তারা তো আরো ভালো আছে আমরা অনেক সময় এটা আমাদেরকেও মনে রাখতে হবে যে আমরা মুসলিমরা আমরা মারা গেলাম কিনা এটা বড় কথা না আমরা ঈমানের উপর মারা গেলাম কিনা এটা হল বড় কথা আমরা অনেক সময় এটা নিয়ে আফসোস করি যে কত লোক কত মুসলিমকে মেরে ফেল মেরে ফেলছে বিভিন্ন জায়গায় একটা জিনিস দেখেন একটা জায়গায় মুসলিম নির্যাতিত হচ্ছে।
আপনাকে যদি আমি বলি যে এখান থেকে আল্লাহ উঠিয়ে তাদেরকে আরেকটা দেশে নিয়ে রেখে দিলেন যেখানে তারা এখন সুখে শান্তি থাকে। তারা কোন দুঃখ কষ্ট নাই। আপনি খুশি হবেন না। আপনি খুশি হবেন। যারা ঈমানের উপর মারা যাচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু ঠিক সেটাই ঘটছে। তাইলে বড় কথা হচ্ছে আসলে ঈমানের উপরে মারা গেল কিনা। তাদেরকে আল্লাহ সুবহানা তায়ালা এই পৃথিবীর দুঃখ কষ্ট থেকে চিরকালীনভাবে অনন্ত চিরকালের জন্য মুক্তি দিয়ে তাদেরকে তারা কিন্তু অনন্ত সুখ শান্তির মধ্যে চলে গিয়েছে তারা কিন্তু ভালো আছে আর তারা যদি ভালো থাকে আমি আখেরাতে বিশ্বাস করি তাহলে আমাদের এটা
নিয়ে খুশি থাকা উচিত যদিও ঘটনাটা অনাকাঙ্ক্ষিত আমরা চাই না তো যাই হোক এই যে তারা মারা গেল যারা মারা গেল এটা তাদের শাহাদাত হিসেবে গণ্য হল যারা বেঁচে থাকলেও তারা পরিচ্ছন্ন হয়ে গুনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন হয়ে তারা বেঁচে থাকার সুযোগ পেল এই পর্যন্ত ঘটনা বলে আমরা আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা করা শুরু করব। বেশি সময় লাগবে না ইনশআল্লাহ। আজকের আয়াতগুলো আলহামদুলিল্লাহ সহজ। বোঝার দিক থেকে সহজ হবে ইনশআল্লাহ। অনেক শব্দের সাথে আপনার আগে থেকে পরিচিত। এখানে একটা বিষয় হচ্ছে যে সামিরী এই যে একটা জাতি একটা জিনিস আমাদেরকে চিন্তা করা
দরকার। এটা চিন্তা করে নিয়ে আমরা তারপর সামনের দিকে অবসরবো যে এত নিদর্শন দেখার পরে তাদের মধ্যে এত নবী রাসূল এবং তখন তাদের মধ্যে মূসা এবং হারুন আলাইহিস সালাম দুইজন শক্তিশালী নবী তারা উপস্থিত হ্যাঁ আমরা কিন্তু নবীকে সামনাসামনি পাই নাই আমরা কোন নবীকে সামনাসামনি পাই নাই এত বড় বড় নিদর্শন আমরা আমাদের চোখের সামনে দেখি নাই তারা যেগুলো দেখেছি এরপরেও কিভাবে তারা মাত্র 40 দিনের জন্য মুসা আলাইহিস সালাম গিয়েছেন এই ফাঁকে তারা শিরকে লিপ্ত হয়ে গেল কিভাবে? এটা কিভাবে সম্ভব? এটা হতে পারে। এটা হতে পারে এজন্য এখান থেকে আমরা একটা
বুঝতে পারি যে আমরা কখনো আমাদের নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করার কোন কারণ নাই। এবং কোন কোন এখানে দুইটা বিষয় পাওয়া যায়। একটা হচ্ছে আল কোরআন বর্ণ আছে। তারা সমুদ্র পার হয়ে বিজাতি কিছু লোকদেরকে মূর্তি পূজায় লিপ্ত দেখে তারা বলেছিল ইয়া মুসা কি সুন্দর তারা মূর্তি পূজা করে আমাদেরকে এরকম একটা উপাস্য বানিয়ে দিন এটা আমরা পূজা করব হ্যা তাহলে এইটা একটা ফ্যাক্টর যে মানুষ যখন অবিশ্বাসীদের মধ্যে বসবাস করে অবিশ্বাসীদের কালচারগুলো তারা যখন দেখে অনেক সময় আমার দেশে মানুষ দেখবেন মুসলিমরা তারা পূজা মন্ডপে যায় অবিশ্বাসীদের যেখানে পূজা অর্চনা হয় সে
সমস্ত জায়গায় কৌতুহল যে দেখি না কি করে এটা কিন্তু কোন ভালো জিনিস না এটা খুবই বিপদজনক এবং অবিশ্বাসীদের দেশে থাকাটা এ কারণে বিপদজনক যে যখন ওই দেশের মানুষের মাঝে ওদের কালচারের মধ্যে যার মধ্যে দ্বীনের বিভ্রান্তি তো আছে দ্বীনের বিভ্রান্তি সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ এটাও আছে সেই সাথে আখলাকের যে ত্রুটিগুলো তাদের মধ্যে আছে এগুলোর মধ্যে যখন আপনি বাস করছেন আপনার কাছে নরমাল হয়ে যাবে এবং একসময় আপনার আকর্ষণ তৈরি হয়ে যেতে পারে এটার প্রতি এইজন্য ওদের মধ্যে থাকা ওদের ওদের আচার অনুষ্ঠান দেখা কৌতুহল এগুলো এটা খুব
খারাপ জিনিস খুব খারাপ জিনিস ইভেন এখন আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনেক কিছু তাদের দেখতে পাচ্ছি তারা কিভাবে কি করে হ্যাঁ অনেক সময় এটাকে আমরা নির্দেশ মনে করছি আমরা পূজা মন্ডপে না গেলেও দেখি তো কিভাবে পূজা করে একটা নিউজ দেখলাম কিভাবে পূজা করে অথবা আমেরিকানদের লাইফস্টাইলটা কেমন ইউরোপিয়ানদের লাইফস্টাইলটা কেমন আমরা এটা নিউজ খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ি এ সংক্রান্ত ডকুমেন্টারি দেখি নিউজ দেখি এটা খুব ডেঞ্জারাস খুবই বিপদজনক আমাদের সাবধান হতে হবে কিভাবে দেখেন বনু ইসরাইলের মত একটা জাতি এত নিয়ামত পাওয়ার পর শিরকের মধ্যে চলে গিয়েছে খুব সহজে আমরা
এটা থেকে নিরাপদ না শিরক থেকেও নিরাপদ না অন্যান্য পাপাচার তো আছেই কোন কোন বর্ণনায় এরকম পাওয়া যায় যে সামিরী যে লোকটা সে আসলে অরিজিনাল বন ইসরাইল ছিল না সে অন্য গোত্রের লোক ছিল এবং তাদের বাছুর পূজার প্রচলন ছিল। এই এই যে ব্যাকগ্রাউন্ডটা সে নিয়ে এসেছে এটা থেকে সে পরিচ্ছন্ন হয় নাই। এজন্য আমরা যারা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করতে চায় আমাদেরকে আমাদের অতীতের অনেক অন্ধকার অধ্যায় আছে থাকতে পারে। এগুলো থেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হতে হবে এবং অন্তরকে কোরআন হাদিসের আলো দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে যেন এগুলোর কোন ছিটে
ফুটার রেশমাত্রা আমাদের মধ্যে না থাকে। আল্লাহ বলছেন ইসরাইল হে ইসরাইলের বংশধরেরা উজকু নিয়ামাতলাতম আলাইকুম আমি যে সমস্ত নেয়ামত তোমাদেরকে দিয়েছি তা স্মরণ করো এর আগে একবার এই বাক্যটা গিয়েছে না আপনারা পেয়েছেন গতদিন আলোচনায় সেখানে আল্লাহতালা সাধারণভাবে এই নেয়ামত স্মরণ করার মাধ্যমে বলছেন যে আমার সাথে যে অঙ্গীকার করেছে সেটা পূরণ করো আমি আমার প্রতিশ্রুতি পূরণ করব আর এইবার আবার মনে করাচ্ছেন এবং একটা একটা করে নেয়ামত এবার বিস্তারিত বর্ণনা করবেন যে দেখো তোমরা কি নেয়ামত গুলো ভুলে গিয়েছো তোমাদের এবং তোমাদের
পূর্বপুরুদের উপর কি কি নেয়ামত আলামিন এক নম্বর হচ্ছে স্মরণ করো যে আমি তোমাদেরকে ফাদলতুকুমদলা মানে শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া আল্লাহ শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলেন ফাদলা তিনি শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলেন ফাদলতু আমি শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি কুম তোমাদেরকে আলাল আলামিন বিশ্ববাসীর উপর এখানে বিশ্ববাসী বলতে সকল যুগের সকল বিশ্ববাসীকে বুঝানো হয় নাই। যদিও আলামিন শব্দের মধ্যে সবাই চলে আসে। কিন্তু এখানে একটা সীমিত অর্থবাত হয়েছে। এটা বুঝবো কিভাবে? অন্য আয়াত এবং হাদিস থেকে। এজন্য মনে রাখবেন মূলনীতি আগেও বলেছি আবারও বলছি কোরআন হাদিস পুরাটা
মিলে একটা বক্তব্যের মত। কোরআন হাদিস পুরাটা মিলে এটাকে একটা বক্তব্যের মত কনসিডার করতে হবে। এটা একটা বক্তব্য না। কিন্তু সবটা মিলে একটাকে ব্যাখ্যা করে। কাজেই যখন আল্লা বিশ্ববাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম এর অর্থ হচ্ছে তৎকালীন বিশ্ববাসীর উপর তোমাদের শ্রেষ্ঠ দিয়েছিলাম কারণ সকল উম্মতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ উম্মত হচ্ছে নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামের উম্মত যেটা অন্য আয়াত এবং হাদিসের দ্বারা প্রমাণিত এখানে ওই যুগে তাদের শ্রেষ্ঠের কথা বলা হচ্ছে সকল যুগের বিচারে নয় আবুল আলিয়া মুজাহিদ কাতাদা সালাফ মুফাসসির তারা তাদের থেকে
ব্যাখ্যা বর্ণিত আছে তেমনি নিচের আয়াত এবং হাদিস থেকে এটা জানা যায় আল কোরআন বলছেন এই উম্মতকে বলেছেন মানুষের জন্য যত উম্মতের উত্থান ঘটেছে তোমরা তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কেন কারণ তোমরা সৎকার হাদিস নিষেধ আল্লাহ প্রতি ঈমান আনো এই বৈশিষ্ট্য যতক্ষণ থাকবে উম্মতের মধ্যে এবং যাদের মধ্যে থাকবে তারা হবে শ্রেষ্ঠ উম্মত এবং হাদিস স্পষ্ট বলেছেন তোমরা 70 তম উম্মত তোমরা তাদের মধ্যে সর্বতম আল্লাহ কাছে সবচেয়ে সম্মানিত তাহলে সর্বযুগের বিচারের সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত উম্মত কিন্তু বান ইসরাইল তারা সেই যুগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিলমান
ইত্তাকু তাকওয়ার মূল অর্থ আত্মরক্ষা করা ইয়ামান তোমরা সেই দিন থেকে আত্মরক্ষা কর্তাকু শব্দটা কোরআনে অনেকবার আসবে মূল হচ্ছে ইত্তাকু এর সাথে ওয়া বাফা যুক্ত অনেকবার আসছে এবং ইত্তাকু তোমরা ভয় করে চলো অথবা আত্মরক্ষা করো কনটেক্সট থেকে অনুবাদ করতে হবে এখানে ইয়াম দিবসে দিবসের কথা বলা হচ্ছে তার মানে দিবসটাকে ভয় করো অথবা ওই দিবসের থেকে তোমরা নিজেদেরকে বাঁচাও যেদিন কি হবে লাতাজ নাফস নাফসিশাইলা মানেলা কোন কাজে আসবে না না নাফসুন সেলফ এক ব্যক্তি আনাফসিন এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তি কোন কাজে আসবে নাশাইয়ান মানে কোন
কিছুই কোন কাজে আসবে না এখানে অবিশ্বাসীদের কথা বলা হচ্ছে এটাও এবসলিউট সবার জন্য প্রযোজ্য >> [নাক ডাকা] >> কিয়ামতের দিন কি কোন ব্যক্তি কোন ব্যক্তি কাজে আসবে না? না আসতে পারে। হ্যা মুসলিমদের ক্ষেত্রে কেউ কারো কাজে কেয়ামতের দিন আসতে পারে। কিভাবে আসবে সেটাও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ইচ্ছামত না। কিন্তু এখানে বিশেষভাবে বলা হচ্ছে কেন? কারণ আল্লাহ কন্টেক্সটা দেখতে হবে। আল্লাহ সুবহাতালা বনু ইসরাইলকে সাবধান করছেন আসলে কিসের ব্যাপারে? বলেন তো কিসের ব্যাপারে সাবধান করছেন? আল্লাহ কিয়ামতের ভয় কেন দেখাচ্ছেন
তাদেরকে? তারা যেন নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহ সাল্লামের প্রতি ঈমানকে প্রত্যাখ্যান না করে। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু সাল্লামকে এবং আল কোরআনকে তারা যেন প্রত্যাখ্যান না করে। তারা যেন ইসলামে প্রবেশ করে। এই জন্য তাকে ভয় দেখাচ্ছে যে তোমরা যদি এখন নবী মহাম্মদ ঈমান না আনো তোমাদের মৃত্যু হবে। তোমরা সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত হওয়া সত্ত্বেও অতীতের সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত হওয়ার সত্ত্বেও তোমাদের মৃত্যু হবে কুফরের উপর। কাফের হিসেবে তোমাদের অবিশ্বাসী মৃত্যু হবে। যদি সেটা হয় তাহলে সেদিন কেয়ামতের দিন কোন ব্যক্তি অন্য কোন
ব্যক্তি কাজে আসবে না। কোন কাফের কোন কাফের কাজে আসবে না। কোন মুসলিমও কোন কাফেরের কাজে আসবে না। সে যদি কুফরের উপর মারা যায় কেউ তো কাজে আসবে না। থেকেবা মানে গ্রহণ করা। ইকবালু হচ্ছে প্যাসিভ ভয়েসে গ্রহণ করা হবে না। লা ইবা কবুল হ্যা গ্রহণ করা। লা ইকবালু কবুল করা হবে না। মিনহা হা বলতে এখানে নাফসকে বুঝাচ্ছে। হা বলতে মিন মানে থেকে হা মানে একটা ফেমিনিন প্রোনাউন এ নাফসকে বুঝাচ্ছে। অর্থাৎ কারো থেকে কবুল করা হবে না শাফায়াতুন শাফায়াত সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না কারো থেকে সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না এটাকেও কোরআনের অন্য আয়াত এবং হাদিস
দিয়ে বুঝতে হবে যে যেই সুপারিশটা গ্রহণ হবে না এখানে যেটা বলা হচ্ছে নেগেট করা হয়েছে যে সুপারিশ হবে না এটা মানে কাফেরের জন্য সুপারিশ হবে না কিন্তু অন্যান্য আয়াত থেকে এবং হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি যে মুসলিমদের মধ্যে পাপাচারীদের জন্য সুপারিশ হবে এবং মুসলিমরা সুপারিশ করতে পারবে কাফের সুপারিশ করতে পারবেই না। কোন প্রশ্নও নাই। কোন কাফেরের জন্য কোন সুপারিশ গ্রহণযোগ্য হবে না। একমাত্র ব্যতিক্রম হচ্ছে আবু তালিব। আবু তালিবের জন্য নবী মহামদমের কারণে আবু তালিবের শাস্তি লাঘুবক করা হবে জাহান্নামে। কিন্তু আর কোন কাফেরের জন্য কোন সুপারিশ নাই।
এখানে এটা বলা হছে। অন্য আয়াতে বলা হচ্ছে যে আল্লাহর অনুমতিক্রমে সুপারিশ হতে পারে। এবং হাদিসে এটাকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে যারা পাপাচারী কিন্তু মুমিন জাহান্নামে চলে গিয়েছে তাদের পাপের কারণে তাদেরকে একসময় সুপারিশের মাধ্যমে বের করা হবে তাইলে কোরআন এবং হাদিস একটা দিয়ে বুঝতে হবে এইটা না করার কারণে বিভিন্ন দল পথভ্রষ্ট হয়েছে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হইলা তাহলে অবিশ্বাসীদের জন্য কোন শাফায়াত গ্রহণ করা হবে না কারো থেকে শাফায়াত গ্রহণ করা হবে না কার জন্য অবিশ্বাসীর জন্য গ্রহণ হবে না থেকে আসছে মানে সে নিয়েছে ইয়াখুদ সে নেয়
বা নিবে ইখাদু নেওয়া হয় প্যাসিফ লামিনহা নেওয়া হবে না লা নেওয়া হবে না মিনহা তার থেকে কোন নাফসের থেকে কি নেওয়া হবে না আদলুন মুক্তিপন ঢাকা পয়সা দিয়ে জামিন দিয়ে জরিমানা দিয়ে সেদিন কোন কাফেরের জন্য কোন সুযোগ নাই তার শাস্তি থেকে বাঁচার ওয়ালাহুসুন [নাক ডাকা] এবং তারা সাহায্যও পাবে না। ইউনসারুন শব্দটা নাসারা থেকে এসেছে। সে সাহায্য করেছিল। ইনসুরু করে বা করবে। ইউনসার প্যাসিভ ভয়েস সাহায্য পাবে। ওয়াও নুন লাগিয়ে প্লুরাল। তারা সাহায্য পাবে। লা ইউনসারুন তারা সাহায্য পাবে না। ওয়ালা হুম ইনসারুন। হুম দিয়ে আরো এমফাসাইজ করা হয়েছে। তারা কোন
সাহায্য পাবে না। ওয়া আমরা জানি যে ইজ আসলে এর আগে একটা উজ আছে কি স্মরণ করো আল্লাহ সতালা এখানে বনসকে স্মরণ করতে বললেন সেই সময়টা একটা সময়কে বুঝায় সেই সময়টাকে স্মরণ কর স্মরণ করো যখন নাজ্জাইনাকুম তোমাদেরকে রক্ষা করলাম নাজ্জা তিনি রক্ষা করেছিলেন নাজ নাজ্জার সাথে না মানে আমরা আল্লাহ বলছেন নাজ্জাইনা আমরা রক্ষা করেছি আল্লাহ সুবহাতালা যখন বহু প্লুরালে কথা বলেন এর মানে হচ্ছে অথরিটি নিয়ে বলা এটা মানে প্লুরাল অর্থে না। কিন্তু মানে প্লুরালে কথা বলতে প্লুরালের দমির যখন ব্যবহার করা হয় প্লুরালের সর্বনাম নাজ্জাইনা। এটা আমরা আগেও
পেয়েছি। এর মানে হচ্ছে অথরিটি নিয়ে বলা। রয়াল উই ইংরেজিতে আছে আরবিতে আছে। বাংলায় নাই। এজন্য অনুবাদে এটা আমি বলাটাকে প্রেফার করি। কারণ বাংলাদেশে আমরা বললে অনেক সময় কনফিউজ হতে বুঝবে না। বুঝিয়ে দিলে বুঝবে। নাজজাইনা কুম। স্মরণ করো যখন উদ্ধার করলাম তোমাদেরকে কুম এটাকে কোরআনের নিয়মে আলিফটাকে ছোট আলিফ দিয়ে লেখা হয়েছে স্মরণ করো যখন আমি তোমাদেরকে রক্ষা করলাম মিন আল ফেরাউন ফেরাউনের আলের হাত থেকে আল শব্দটা বিভিন্ন অর্থে আসে কখনো পরিবার অর্থে কখনো অনুসারী এখানে অনুসারী অর্থে ব্যাখ্যা করেছেন এখানে ফেরাউনের আল
বলতে ফেরাউনের পরিবার শুধু বোঝানো হয় না ফেরাউনের ধর্মের অনুসারী যারা ছিল তার দলবল সৈন্য সামন্ত লোক লস্কর এদেরকে বোঝানো হয়েছে ফেরাউনের হাত ফেরাউন বাহিনীর কবল থেকে দলবলের হাত থেকে তোমাদেরকে যখন রক্ষা করলাম তারা কি করছিল ইয়াসুমনা স মানে হচ্ছে আস্বাদন করানো তারা আস্বাদন করাচ্ছিল কুম তোমাদেরকে ইয়াসুমুনাকুম কি সুবু মানে নিকৃষ্ট আদাব মানে শাস্তি নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি নিকৃষ্ট নির্যাতন করছিল তারা তোমাদের নিকৃষ্ট নির্যাতন চালাচ্ছিল যখন ফেরাউনের দলবল কি নির্যাতন ইউজুনাবনাকুম তোমাদের পুত্রদেরকে জবাই করছিল ইজ থেকে
তারা জবাই করছে তোমাদের পুত্রদেরকে হায়া থেকে বাঁচিয়ে রাখা হায়াতুন থেকে তারা বাঁচিয়ে রাখছিল নিসা নারীদেরকে বাঁচিয়ে রাখছিল ওয়াফিজালিকুম তখন এই অবস্থা উদ্ধার করলাম ওয়াফিজালিকুম জালিকা শব্দটা মানে সেটা। জালিকুম অর্থ সেটা। কিন্তু অনেক সময় যখন যাদেরকে যাদের সাথে কথা বলা হচ্ছে তারা যদি প্লুরাল হয় তখন জালিকুম আসে। একজন পুরুষ হলে জালিকা আসে। একজন মহিলাকে বলা হল জালি কি আসতে পারে। তো এটা কিন্তু মূল অর্থটা একই। মানে ওয়াফি মানে মধ্যে জালিকুম এর মধ্যে এই ঘটনার মধ্যে কি ছিল? বালাউন। বালা মানে পরীক্ষা। রব্বিকুম তোমাদের রবের পক্ষ থেকে
আজিম। অনেক বড়। মানে অনেক বড় পরীক্ষা ছিল। এই ঘটনার মধ্যে অনেক বড় পরীক্ষা ছিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে এখানে বালা শব্দের অর্থে মুফাসসিরগণ পরস্পর বিপরীত দুইটা তাফসীর করছেন। কেউ কেউ বলছেন এখানে বালা অর্থ নিয়ামা অনুগ্রহ। [নাক ডাকা] কেউ কেউ বলছেন এখানে বালা অর্থ যেটা আমরা বাংলায় বুঝি বালা মুসিবত। বিপদ। হ্যাঁ। দুইটি হতে পারে। দেখেন এ আয়াতে বালা শব্দের দুটি অর্থ একদম মুফ মতে। এখানে এর অর্থ কঠিন পরীক্ষা বা বিপদ। অর্থাৎ ফেরাউনের লোকজন যে তোমাদের উপর ভয়াবহ নির্যাতন চালিয়েছিল সেটা তোমাদের জন্য বড় পরীক্ষা ছিল। অন্যদের মতে এবং এটাই
সালাফদের বেশিরভাগের মত এখানে বালা অর্থ নিয়ামত বালা দিয়ে নেয়ামতের পরীক্ষা বোঝানো হয়েছে বালা মানে পরীক্ষা এখানে বালা বলতে নেয়ামত বোঝানো হচ্ছে অর্থাৎ আল্লাহ তাদের হাত থেকে তোমাদের মুক্তি দিয়ে তোমাদের উপর এক বিরাট অনুগ্রহ করেছে অর্থাৎ পুরা ঘটনা ওফিজাকুম এর মধ্যে তোমাদের জন্য তোমাদের রবের পক্ষ থেকে বিরাট পরীক্ষা আছে কিসের মধ্যে ফেরাউনের হাত থেকে উদ্ধার পাওয়ার মধ্যে বালা শব্দের মূল অর্থ পরীক্ষা আল্লাহ মানুষকে দুই পরীক্ষা করেন নেয়ামত দিয়ে পরীক্ষা করেন সে কৃতজ্ঞ হয় কিনা আর বিপদ আপদ পরীক্ষা সে ধৈর্য ধারণ করে কিনা এ কথা
আল্লাহ আতে বলেছেনফিতনা তোমাদেরকে মন্দ এবং ভালো উভয়টা দিয়ে পরীক্ষা করি তার মানে এ আয়াতে দুইটা তাফসীর হওয়া সম্ভব এখানে পরীক্ষা বলতে নেয়ামতের পরীক্ষা উদ্দেশ্য হয়ে থাকতে পারে অথবা বিপদের পরীক্ষা নেয়ামতের পরীক্ষা হচ্ছে নেয়ামত পেয়ে শুকরিয়া আদায় করে কিনা বিপদের পরীক্ষা হচ্ছে বিপদের ধৈর্য ধারণ করে কিনা এই দুইটাই আমাদের জীবনের পরীক্ষা খাই ফিতনা আচ্ছা [গলা পরিষ্কার করা] ওফারাকনাবিকুমুল বাহরা আর স্মরণ করো যখন ফারাকনা ফারাকা মানে আলাদা করে দেওয়া ফারাকনা আমরা আলাদা করে দিয়েছিলাম বিকুম এখানে কুম মানে তোমরা
বি দিয়ে বঝছে তোমাদের জন্য বা হচ্ছে একটা অব্যয় হারফ প্রিপজিশন নিজস্ব অর্থ নাই কনটেক্স থেকে অর্থ বুঝতে ফারাকনাবাহ মানে বাহার মানে সমুদ্র তোমাদের জন্য সমুদ্রকে ভাগ করে দিয়েছিলাম নাজনা যে শব্দটা একটু আগে দেখলাম আনজাইনার বিশ্লেষণ একই রকম শুধু রটা আলাদা আর আনজা একই অর্থ উদ্ধার করাইনাকুম ফলে অতঃপর তোমাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম হ্যা অর্থাৎ সাগর সে সম স্মরণ করো যখন আমি তোমাদের জন্য সাগরকে বিভক্ত করে তোমাদেরকে রক্ষা করলাম মানে ডুবিয়ে দেওয়া না আমরা ডুবিয়ে দিয়েছিলাম আলা ফেরাউন ফেরাউনের দলবলকে আমরা ডুবিয়ে দিয়েছিলাম তানুন আন্তু মানে
তোমরা তানজুন তোমরা তাকিয়ে দেখছো তোমাদের চোখের সামনে ফেরাউনকে ডুবিয়ে দেওয়া একটা নিয়ামত শত্রুর ধ্বংস একটা নেয়ামত আর নিজের চোখের সামনে শত্রুর ধ্বংস দেখা এটা একটা নিয়ামতনা মুসা আর স্মরণ কর যখন ওদনা আমি ওয়াদা করেছিলাম মুসা মুসাকে মুসার সাথে একটা অঙ্গীকার হয়েছিল একটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আরবালাইলা 40 রাত্রির প্রতিশ্রুতি আরবরা 40 দিনকে 40 রাত্রি বলে রাত্রি মানে শুধু রাতের বেলা এরকম না দিন রাত মিলায় 40 দিবস আর কি যখন মুসাকে 40 রাতের প্রতিশ্রুতি দিলাম সুম্মা এরপর ইত্তাখাজতুম ইত্তা মানে গ্রহণ করা ইত্তা মানে তোমরা
গ্রহণ করেছিলে আইজলা বাছুরকে বাছুর সনের বাছুরটায ঘটনা জানলাম বাছুরকে গ্রহণ করা বা ইত্তা আরো সহজ করে যদি বলি বানানো বাছুরকে বানিয়েছিলে তোমরা বাছুরকে কি বানিয়েছিলে এটা বলা হয় না এখানে উজ আন্ডারস্টুড বাছুরকে উপাস্য বানিয়েছিলে ইলাহান এটা মুফাসসিরগণ ব্যাখ্যা করে দিছেন যে এখানে একটা শব্দ উজ্য আছে যেহেতু আন্ডারস্টুড এজন্য যে তোমরা এই সুযোগে এরপরে মুসা আলাই সালাম যখন 40 দিনের জন্য গেলেন তাওরাত নিয়ে আসবেন এটাও একটা বড় নেয়ামত আল্লাহর কাছ থেকে শরীয়ত আসছে এই সময়ের মধ্যে তোমরা কি করলে তোমরা বাছুরকে মাবুদ বানিয়ে ফেললে
মিমবাদিহি তার পরবর্তীতে অর্থাৎ মুসা চলে যাওয়ার পরে জালিমুন তোমরা জালিম ছিলে আনতু মানে তোমরা জালিমুন জালিমের প্লুরাল তোমরা জুলুমকারী অর্থাৎ অর্থাৎ জুলুমে লিপ্ত হয়ে তোমরা বাছুরকে উপাস্য বানালে। তাদেরকে জুলুমে লিপ্ত বলার কারণ কি? তারা বাছুর পূজা করেছে। এটার মধ্যে জুলুম কোথায়? আপনার কাছে মনে হতে পারে। কারণ হচ্ছে শিরক বিরাট জুলুম। ইন্নাশির তার কারণ কি? কারণ জুলুমের ভাষাগত অর্থ হচ্ছে কোন কিছু যথাস্থানে রাখা। কাজেই কোন কিছু যেখানে রাখার এজন্য কারো হক নষ্ট করাকে জুলুম বলা হয়। তাই না? আমরা হক নষ্ট করলে জুলুম বলি। কেন বলি? কারণ হক
যাকে দেওয়া তাকে দেই নাই। যেখানে দেওয়ার কথা সেখানে দেই নাই। ইবাদত যেখানে দেওয়ার কথা ইবাদতের প্রাপক একমাত্র আল্লাহ সুবহানাতালা তাকে না দিয়ে অন্যত্র ইবাদত দেওয়াটা সবচেয়ে বড় জুলুম। এটাকে আরেকভাবে জুলুম বলা যায়। যে শিরকে লিপ্ত কুফরিতে লিপ্ত। আল্লাহর অবাধ্যতা করে সে মানুষের ক্ষতি না করলেও সে জুলুমে লিপ্ত। কিভাবে? কারণ এর মাধ্যমে সে নিজেকে শাস্তিযোগ্য করে তুলেছে। আর সে নিজেকে কষ্ট দিচ্ছে। কারণ সে শাস্তিযোগ্য হয়ে গেছে। তার নিজেকে শাস্তি দেয়া যোগ্য করা এটা নিজের প্রতি জুলুম। আনকুম এরপরেও তোমাদেরকে আমি ক্ষমা করলাম আফা
ইয়াফু মানে ক্ষমা করা আফা আমরা ক্ষমা করলাম আফার সাথে আন আসে কুম মানে তোমরা আন হচ্ছে প্রিপজিশন অব্যয় আমরা তোমাকে ক্ষমা করলাম বলতে বলতে হবে আফাকুম আমি যদি কাউকে বলছি আমি তোমাকে মাফ করে দিয়েছি বলব আফা আফাকা মানে তুমি তোমাকে মাফ করে দিয়েছিমা এরপর আফাবা এরপরেও মিমবাদি মানে পরবর্তীতে জালিকা মানে এটা এখানে এটা বলতেছে যে বাসুরকে মাবুদ বানানো বাসুরকে মাবুদ বানানোর পরেও তোমাদের ক্ষমা করে দিলাম লাল্লাকুম যেন তোমরা তাসকুন শাকা থেকে আসছে শুকরিয়া আদায় করা যেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও তারপর ক্ষমা করে দিলাম কিতা আর স্মরণ করো
যখন মুসাকে আতাইনা মুসাল কিতাব স্মরণ কর যখন আমি মুসা মুসাকে কিতাব দিলাম আতাইনা মুসাল কিতাবা কিতাব দিলাম তাওরাত ওয়াল ফুরকান এবং ফুরকান দিলাম এখানে ফুরকান আলাদা কিছু না এটা আরবি ভাষার একটা রীতি কোন কিছুর সাথে ওয়াও কনজাংশন দিয়ে তার কোন একটা বৈশিষ্ট্য যুক্ত হয় ফুরকান হচ্ছে কিতাবেই একটা বৈশিষ্ট্য ফুরকান মানে হচ্ছে যা সত্য পার্থক্য করে তাহলে তোমাদের কিতাব ফরকান দিলাম মানে কিতাব দিয়েছে ফুরকান আরো একটা আলাদা কিছু না এই কিতাবটাই ফুরকান এই কিতাবটাই সত্য পার্থক্যকারী অর্থাৎ তোমাদেরকে সত্য পার্থক্যকারী একটা কিতাব
দিলাম লালাকুম তাহতাদুন লাল্লাকুম মানে তোমরা যেন তাহতাদুন হেদায়েত পেতে পারো এখানে কিতাব বলতে মুসা আলাই সালামের প্রতি অবতীত তাওরাতকে বোঝানো হয়েছে আর ফুরকান শব্দের অর্থ সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী এখানে ফুরকান শব্দটি তাও বৈশিষ্ট্য কেননা সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী রূপে একে নাযিল করা হয়েছে তেমনি আল্লাহ তালা অন্যান্য কিতাব ইঞ্জিল জবরুল কোরআনকে ফুরকান রূপে নাযিল করেছেন। তাহলে কোরআনকে ফুরকান বলা হয়। ইঞ্জিল জাবুর আল্লাহর যত কিতাব ছিল সবই ফুরকান। কারণ এগুলো মাধ্যমে সত্য পার্থক্য হয়। এরপর 54 নম্বর আয়াত আজকের শেষ আয়াত যেটা
সেখানে কি বলা হচ্ছে যে এই যে বাছুর পূজা লিপ্ত হল। এখান থেকে তাদেরকে পরিচ্ছন্ন করার যে প্রক্রিয়াটা যেটা বর্ণনা করেছি সেট বর্ণনা এখানে দেওয়া হয়েছে। মুস এবং স্মরণ করো সেই সময়টা স্মরণ করলা মুসাহ বললেন মুসা কওমিহি কম মানে জাতি তার জাতির উদ্দেশ্যে বললেন কমিহি মানে তার জাতি তারা জাতি উদ্দেশ্যে বললেন ইয়া কওমি হে আমার জাতি ইন্নাকুম নিশ্চয়ই তোমরা লামতুম তোমরা জুলুম করেছ আমফুসাকুম তোমাদের নিজেদের প্রতি জুলুম করেছ তহলে ওই যে কনসেপটা নিজের উপরে জুলুম করা একটু আগে যে ব্যাখ্যা করলাম দেখেন এখানেটা বলা হচ্ছে কিভাবে জুলুম করে বিতমজলা
বিতুম এখানে তিনটা শব্দ বা মাধ্যমে বা এখানে মাধ্যমে অর্থ এসেছে ইত্তেখাজ মানে বানানো কুম তোমরা যে বানাইলে তোমরা বাছুরকে মাবুদ বানিয়ে বানানোর মাধ্যমে জুলুম করেছ নিজেদের উপর এই অর্থবু কাজেই তোমরা তওবা করো ইলা বারিকুম তওবা করো তুবুর সাথে ইলা আসলে বুঝতে হবে মানুষ আল্লাহর দিকে তওবা করবে এটা বোঝানো হচ্ছে আর তাবালা মানে হচ্ছে আল্লাহ তওবা করলেন আল্লাহ তান্লাহ তবা কবুল করলেন অথবা তওবার সুযোগ দিলেন এখানে ইলা আছে তাইলে ফাতুবু মানে অর্ডার তোমরা তওবা করব বলছেন কাজেই তোমরা তওবা করো ইলা কার দিকে কার দিকে ফিরে আসো বারিকুমারি মানে হচ্ছে খালেক
সৃষ্টিকর্তা তোমাদের সৃষ্টিকর্তার দিকে তোমরা তওবা করো আবার একটা ফা এসেছে মানে তোমরা হত্যা করো এর সাথে ফা যুক্ত হয়েছে এই ফাটা দিয়ে এটার এক্সপ্লেনেশন বুঝাচ্ছে অর্থাৎ তোমরা তোমাদের স্রষ্টার দিকে তওবা করবে কিন্তু তওবার প্রক্রিয়াটা কি? ফাকতুলু আমফুসাকুম তওবার প্রক্রিয়াটা বোঝানোর জন্য ফা এসেছে সেটা হচ্ছে উকতুলু তোমরা হত্যা করো আমফুসাকুম নিজেদেরকে মানে আত্মহত্যা করতে বলা হয় নাই। তোমাদের একদল আরেক দলের উপর মানে তোমার দুই দল তোমরা প্রত্যেকে একে অপরের উপর অস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়বে। তোমরা পরস্পরকে হত্যা
করবে। জালিকুম খুব কঠিন শাস্তি। কি হবে? জালিকুম এটা খাইরুল্লাকুম। তোমাদের জন্য উত্তম হবে। তোমাদের স্রষ্টার নিকট ফাতাবা আলাইকুম ফলে আল্লাহ [গলা পরিষ্কার করা] তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিলেন এ মাঝখানে একটা বাক্য উজ আছে বলেছেন যে এরপর তোমরা তওবা করলেম আলাইকুম তোমরা তওবা করলে এবং আল্লাহ তোমার তওবা কবুল করলেন ইন্নাহু তাওয়াব রাহিম নিশ্চয়ই তিনি একমাত্র তিনিই হচ্ছেন আততাওয়াব অধিক তওবা কবুলকারী এবং পরম দয়ালু রাহিম তাহলে এই ছিল তাদের তওবার প্রক্রিয়া। তারা পরস্পরকে অস্ত্র হাতে নিয়ে হত্যা করল একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এবং যখন মুসা
আলাইহি সালাম তাদেরকে ইশারা দিলেন তখন তারা এই হত্যা থামিয়ে দিল। যারা মারা গিয়েছিল তাদের জন্য শাহাদাত হয়েছে। বিরাট সৌভাগ্য। আর যারা বেঁচে ছিল তারা এই গুনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন হয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ আল্লাহ সুবহাতাার কাছ থেকে পেয়েছিল। এসবটাই আল্লাহর অনুগ্রহ ছিল তাদের প্রতি। আলহামদুলিল্লাহ আমি আজকে একটু অসুস্থ। এ কারণে আপনাদের একটু সুবিধা হলো। সেটা হলো যে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিব। কারণ আমার শরীরটা খারাপ। আমি মনে করছি যে আমার জামাতে না যাওয়াই ভালো। এই ওজরটা আমার জন্য আছে এজন্য আমি এশার জামাতে যাবো না। এজন্য যে ভাইয়েরা আমার
আলোচনা শুনছেন আপনাদের এশার জামাতের সময় হয়ে গিয়েছে। আপনারা অবশ্যই মসজিদে জামাত মিস করবেন না। প্রশ্ন উত্তরগুলো আপনারা ফিরে এসেও রেকর্ডেড অবস্থায় কিছুক্ষণ লাইভে লাইভের ভিডিওটা থাকবে কিছুক্ষণ। সেখানে পেয়ে যাবেন। কাজেই জামাত মিস করবেন না। আমার যেহেতু জামাত পরিত্যকের ওজোর আছে এজন্য এই সুযোগে আমি কিছু প্রশ্নের উত্তর দিব ইনশাআল্লাহ। একজন প্রশ্ন করেছেন যে কোন নারীর সেনসিটিভ কোন ছবি কারো কাছে চলে গিয়েছে কোন পুরুষের কাছে চলে গিয়েছে এবং এটা ডিলিট করার তার উপায় নাই এবং সেই পুরুষের মাধ্যমে ছবিটা হয়তো ছড়াচ্ছে মানুষের মাঝে
এখানে তওবার উপায় কি প্রথম প্রথমত এজন্য আমি সবাইকে সাবধান করব একটা জিনিস এটা থেকে একটা জিনিস আমাদেরকে সতর্ক হতে হবে সেটা হলো যে এখনকার যুগটা খুব খারাপ আমরা খুব সহজে আমাদের বেপর্দার ছবি কিন্তু তুলে ফেলি এবং অনেক সময় কখনো আমাদের ইন্টিমেট অবস্থার ছবি কেউ তুলে ফেলল এগুলো খুব বিপদজনক এই ছবি তোলার কালচারটা থেকেই আমাদেরকে সাবধান হতে হবে ছবি ভিডিও করা, ছবি তোলা এই কালচারটা থেকে আমাদের সাবধান পরস্পরকে সাবধান করতে হবে। কারণ আপনার অজান্তেই একসময় দেখবেন আপনার বেপর্দা ছবি মানুষের হাতে হাতে চলে যাচ্ছে। এটা কোন আশ্চর্য কিছু না।
এ ব্যাপারে আমাদের খুব সাবধান হওয়া উচিত। এটা আমার প্রথম কথা। সবাইকে এখান থেকে সতর্ক হন। দ্বিতীয়ত যার ক্ষেত্রে এটা ঘটেছে তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। তার সাধ্যমত এখন আর তো কিছু করার নাই। যদি কিছু করার নাই থাকে আল্লাহর কাছে তওবা করবেন। সিসি এবং দোয়া করবেন যেন এই জিনিসটা বন্ধ হয়। আল্লাহ যেন ইন্নাল্লাহালা কুল্লিশাইন কাদির আল্লাহ সবকিছু করতে পারেন আপনার তওবা যদি সিনসিয়ার হয় আশা করা যায় আল্লাহ সুবহানাতালা এটা থামানোর ব্যবস্থা করে দিবেন কাজেই হতাশ হবেন না আল্লাহর কাছে মাফ চান আশা করা যায় আল্লাহ আপনি ক্ষমা করে দিবেন
30 ফিকুন নিকাহ অন্তর্ভুক্ত আছে কিনা হ্যাঁ এই প্রশ্ন অনেকবার আমাকে আগে করা হয়েছে অবশ্যই আছে অবশ্যই ফিকুন নিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা করবো ইনশাআল্লাহ ওয়ালাইকুম সালাম কমন প্রশ্ন আরেকটা যে সহ শিক্ষার প্রেক্ষাপটে মেয়েদের মেডিকেলে পড়া জায়েজ হবে কিনা? দেখেন প্রথমত স্টেপ বাই স্টেপ যদি আমরা যাই সহশিক্ষাকে ইসলাম এলাও করে না। নাজায়েজ। সহশিক্ষা নাজায়েজ। সহশিক্ষা নাজায়েজ। কারণ এটা হচ্ছে ফিতনার পথকে উন্মুক্ত করে। পুরুষ নারী একসাথে যদি লেখাপড়া করে সেখানে ফিতনা পথ উন্মুক্ত। ফিতনা হয়। এগুলো আমরা জানি কত রকমের কত ফিতনা হয়।
এটা অজানা নয় কারো। সহশিক্ষা নাজায়েজ কার জন্য? পুরুষ নারী উভয়ের জন্য নাজায়েজ। এখন কথা [গলা পরিষ্কার করা] হচ্ছে যে এই নাজায়েজের কোন এক্সেপশন হইতে পারে কিনা? আলেমদের ফতোয়া থেকে বোঝাতে পারে। এক্সেপশন হইতে পারে। ঠিক আছে? তাহলে কি কি বললাম? একটা হল সহস নাজায়েজ। এতে সন্দেহ নাই। কার জন্য নাজায়েজ? পুরুষ নারী সবার জন্য নাজায়েজ। এতে কোন সন্দেহ নাই। তিন নম্বর জিজ্ঞেস করলাম যে এই ধরনের নাজায়েজ এক্সেপশন হয় কিনা? হ্যাঁ এক্সেপশন হইতে পারে। এই ধরনের নাজায়েজ এক্সেপশন। হতে পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে কার ক্ষেত্রে এই এক্সেপশনটা
ভ্যালিড হবে? এখানে হচ্ছে প্রশ্নটা সেটা। এখন বিশেষ করে যেই প্রশ্ন করেছে মেডিকেলে পড়া। মেয়েদের মেডিকেলে পড়ার মাসালা এটা অন্যতম কি বলা যায়? পাজেলিং একটা মাসালা। আমার কাছে এটা একটা পাজেলের মত। এজন্য আমি বলব যে আলেমদেরকে জিজ্ঞেস করেন। আমার চিন্তাভাবনাটা হচ্ছে এরকম যে মেয়েদের একটা দল মেডিকেলে পড়া এটাও জরুরি। আমাদের মেয়েরা কাদের কাছে যাবে? এর পাশাপাশি যদি এটা আমি একদিকে যদি রাখি আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় মেয়েদেরকে ডাক্তার হয় দরকার নাই। আমি বলব অবশ্যই দরকার আছে। এর পাশাপাশি যদি এই বাস্তবতাটা সামনে রাখা
হয় যে মেডিকেলে কিভাবে পড়াশোনা হচ্ছে ছেলেমেয়ে ফ্রি মিক্সিং সেখানে আপনার মেয়েকে কি আপনি পড়তে পাঠাবেন? আমি হলে বলব যে মনে হয় না আমার মেয়ে হলে আমি তাকে ওখানে যেতে এলাও করবো না। বলব ঘরে বসে থাকো। তখন আপনি বলবেন যে তাহলে আপনি স্বার্থপর মতো চিন্তা করছেন। কারণ তাহলে ডাক্তার সবাই যদি এটাই করে তখন ডাক্তার হবে কে? মেয়েদের ডাক্তার কে হবে? আল্লাহু আলাম। এজন্য এই মাসালায় খুব সুন্দর উত্তর দেওয়া আমার জন্য মুশকিল। ঠিক আছে? আপনার কোন আলেমের সাথে পরামর্শ করে আমি বলছি না এটা আপনার ক্ষেত্রে এখন এটা জায়েজ হবে নাজায়েজ হবে এটা কোন
আলেমের সাথে আপনি পরামর্শ করুন। আমি আপনাকে দিতে পারছি না। আমি এ পরামর্শ আমি দিতে পারছি না। এজন্য আমার উপর রাগ করেন না। কারণ প্রত্যেকে তার নলেজ অনুযায়ী বলতে পারি। আমার যদি এ ব্যাপারে নলেজ থাকতো আমার যদি জানা থাকতো বিধানটা আপনার ক্ষেত্রে কি হবে তাহলে অবশ্যই আপনাকে বলতাম। আমার তো কারপণের কোন কারণ নাই। আপনাকে বলতে আমার কোন টাকা খরচ হবে না। কিন্তু এই জায়গায় আমার আমার এই নলেজটা এখানে কমপ্লিট না। আমার নলেজ নাই মোট কথা। এত ঘুরায় পেচায় বলা দরকার নাই। তো এজন্য আমি আপনাকে মূল নীতিগুলো বললাম। এখন আপনি সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আপনি পরামর্শ করেন আরো রিলিজিয়াস। আলেম অথবা দায়ীদের সাথেও পরামর্শ করতে পারেন। আচ্ছা এরপর আপনার অনেক মেসেজ ছিল এর উত্তর দিতে পারি নাই। আচ্ছা তাশাহুদের উত্তরটা শেষ রাকাত তাহুদ পড়তে গিয়ে যদি মনে হয় সেজদা একটা দেওয়া হয়েছে দুইটা না তখন কি করতে হবে? আরেকটা সেজদা দিয়ে দিবেন। আরেকটা সেজদা যখন মনে আরেকটা সেজদা দিয়ে দিবেন। তারপর সহ সেজদা দিবেন। যেহেতু আপনার সন্দেহ হয়েছে এবং সন্দেহের কারণে আপনি যদি সন্দেহ থাকে আর যদি আপনিশিওর হন যদি সিওর হন যে না সেজদা একটা দিয়েছি আরেকটা দেওয়া বাকি। সিওর হলে আর সাউস দেওয়া লাগবে না। কারণ যেটা আপনি
করেছেন একটা এক্সট্রা কিছু পড়েছেন আর কি। মানে তার মানে এটা ছিল আপনার 200 মাঝখানে বৈঠক সেখানে তাশাহুদ পড়েছেন একটু ওটার জন্য সজদা দেওয়া লাগবে না কিন্তু সাধারণত যেটা হয় যে এ সময় কনফিউশন হয় কনফিউশন হার পর মনে হয় যে মোস্ট প্রবাবলি সে একটাই হইছে আরেকটা দেই এক্ষেত্রে সাথে সাজদা দিতে হবে বিস্তারিত আমার সালাতের মধ্যে আসবে শীঘ্রই আসবে ইনশাআল্লাহ ওযুর দুই রাকাত দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ত একসাথে করে শুধু দুই রাকাত নামাজ আদায় করলে দুইটার সওয়াব হবে কিনা ইনশাআল্লাহ হবে হ্যাঁ গীবত হয়ে গেলে করণীয় কি? গীবত হয়ে গেলে
তওবা করতে হবে এবং যার গীবত করা হয়েছে তার কাছে ক্ষমা চাওয়া এটা হচ্ছে বেসিক নিয়ম। যদি তার কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে আরো সমস্যা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তখন আলেমগণ বলেছেন যে তার জন্য দোয়া করবেন। এবং আরেকটা করণীয় হচ্ছে যে মজলিসে তার গীবত করেছেন সে মজলিসে তার প্রশংসা করবেন এবং যদি কোন ভুল কথা বলে থাকেন সেটা ইয়ে করবেন। মাগরিবের নামাজের দুই রাকাত নফল নামাজ কি কেউ মায়ের নামে নিয়ত কর না মায়ের মায়ের জন্য নামাজ হয় না কোন আপনার নামাজ আপনার মায়ের জন্য নামাজ মায়ের জন্য দোয়া মা বাবা জন্য দোয়া রাব্বিরহামহুমা
কামাবানি সাগর এবং অন্যান্য দোয়া করবেন তারা মারা যাওয়ার পর তাদের পক্ষে সাদাকা করার অনুমতিও আছে কিন্তু নামাজ সালাত না অথবা অথবা তাদের জন্য হজ্জ করতে পারেন। কিন্তু সালাতের কোন বর্ণনা আমার জানামতে আসে নাই। নিচে পা ঝুলিয়ে বিছানায় বসে সালাত পড়া যাবে কিনা? যে দাঁড়িয়ে যে দাঁড়াতে অক্ষম দাঁড়াতে কষ্ট খুব বেশি কষ্ট হয় অথবা অক্ষম। সে বসে সালাত আদায় করতে পারে। কিভাবে বসলো সে তাতে তাতে কিছু আসে জানা হ্যাঁ এখানে বিছানায় বসে সালাত আদায় করা আর কি মোট কথা পা ঝুলিয়ে দেওয়া মানে বিছানায় বসে সালাত বিছানায় বসে সালাত আদায় করা
কোন অসুবিধা নেই যদি তার বসার ওজর থাকে অথবা যদি নফল সালাত হয় নফল সালাত দাঁড়াতে সক্ষম হলে বসে আদায় করা যায় ফরজ সালাত দাঁড়িয়ে পড়ি তার মানে নফল সালাতের কথা বলছেন হ্যাঁ নফল সালাত আপনি বসে পড়তে পারবেন কোন অসুবিধা নাই ওজুরের কারণে কেউ নফল রাত বসে পড়ে তাহলে সে পূর্ণ সওয়াবই পাবে। কেউ যদি ওজুর ছাড়াই আরাম করার জন্য একটু বসে পড়ে নফল অর্ধেক সওয়াব পাবে। বাবা-মার সাথে আড্ডার সময় গীবত বেশি হয়। বুঝলে আরো বেশি রাগ করে। হ্যাঁ। বুঝালে বেশি রাগ করে। বেশি আড্ডা দিয়েন না। যদি এটাই একমাত্র উপায় হয় তাহলে বেশি আড্ডা
দিয়েন না। আর কৌশলে ভালো কথা নিয়ে আসবেন সেখানে। যেন আলাপটা ভালো খাতে দ্বীনি বিষয়ে প্রবাহিত হয়। এটা চেষ্টা করবেন। যে ওয়াক্তে হায়াত শুয়ে সে ওয়াক্তে কাদা করতে হবে কিনা? না হবে না। যে ওয়াক্তে হায়াত সে ওয়াক্তে কাদা করতে হবে না। যদি না তিনি এমন হয়ে থাকে যে সেই ওয়াক্তের সালাতটাকে একেবারে শেষ মুহূর্তে নিয়ে গিয়েছেন তখন কাদা করবেন না। নতুবা কাদা করতে হবে না। কারণ তার তো সময় ছিল তিনি আদায় করতেন। যে ওয়াক্তে হায়াত বন্ধ হয়েছে এক রাকাত সময় হলে তার কাজাদা করতে হবে। এক নাম্বারটা আগে শুনেছি করতে হবে না। তাই করিনি। এখন
কি করতে হবে বুঝলাম না। দুই নাম্বারটাও বুঝতে পারা খুব কঠিন মনে হয় বুঝলাম না আমি কঠিন কোন জায়গায় কঠিন আপনার আমি বুঝতে পারলাম না যেই ওয়াক্তে আপনার হায়াত শুরু হয়েছে সেই ওয়াক্তের কাজা করতে হবে না হ্যাঁ এটা তো বললাম কঠিনের কিছু নাই তো সহজ যে ওয়াক্তে হায়াত বন্ধ হলো আপনার হায়াত বন্ধ হয়েছে সাধারণত একেবারে লাস্ট মিনিটে গিয়ে তো আর বন্ধ হবে না সাধারণত ওয়াক্তের মধ্যে কোন একটা সময় বন্ধ হয়েছে তাইলে ওই ওয়াক্তের সালাত আপনাকে আদায় করতে হবে। যেই ওয়াক্তে বন্ধ হয়েছে ওই ওয়াক্তের সালাতটা আপনাকে আদায় করতে
হবে। যদি দেখা যায় ওয়াক্তের একদম শেষে গিয়ে বন্ধ হয়েছে হায়েজ। যখন আপনি সিওর হলেন যে হ্যাঁ আমার হায়েজ বন্ধ হয়েছে তখন এক রাকাতেরও টাইম নাই। এক মিনিটও ধরা যাক টাইম নাই। যদি ধরে নি এক রাকাত পড়তে এক দেড় মিনিট লাগে। যখন আপনি নিশ্চিত হলেন হায়াত বন্ধ হইছে সেই সময় এক মিনিটও টাইম নাই। তাইলে আর ওটা কাদা করতে হবে না। ওই সালাতটা আদায় করতে হবে না। তো সম্ভবত হায়েজ বন্ধ হওয়াটা কিভাবে বুঝে সেখানেই আপনার কনফিউশন। কাজেই আপনাকে আমার ফেকুত তাহারা কোর্সের হায়েজের উপর লেকচার আছে। ওটা দেখতে হবে। সাদা সাব হলে ওযু ভেঙ্গে যাবে। হ্যাঁ। ওযু
ভেঙ্গে যাবে। >> [গলা পরিষ্কার করা] >> এবর্শন [নাক ডাকা] সংক্রান্ত যে প্রশ্নটা করেছেন এটা আমাকে ইমেইলে আপনি কোন একজন আলেমকে করেন আচ্ছা ইমেইলে আমাকে করেন আমি হয়তোবা করেছেন আমি কয়েকদিন ইমেইলের উত্তর দিতে পারি নাই আমি একটু পড়াশোনা করে দেখব অথবা কোন আলেমকে করার চেষ্টা করেন পায়ের পাতা কি গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকতে হবে কিনা পায়ের পাতা কাকে বলে? এটা আমি গজলের আর ক্লাসের পরে বুঝলাম যে কারো কারো কনফিউশন পায়ের পাতা মানে [গলা পরিষ্কার করা] গোড়ালির নিচের অংশটাই পায়ের পাতা। এই হলো কথা। সো গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকতে হবে। হ্যা।
গোড়ালি পর্যন্ত এটাকে পায়ের পাতা বলে না। [গলা পরিষ্কার করা] গোড়ালির নিচে যেটা আছে এটা হলো পায়ের পাতা। পায়ের তলা বা পায়ের পিঠ। এটা ঢাকতে হবে না। মেডিটেশন ইয়োগা না এগুলি থেকে দূরে থাকবেন। মেডিটেশন ইয়োগা এগুলোর মধ্যে অনেক ধরনের অন্য ধর্মের কনসেপ্ট শিরকি কনসেপ্ট আছে। এগুলো দূরে থাকবেন। হ্যাঁ। আমাদের এই আজকের আলোচনাটা অন্য লেকচারে শুনেছেন। আমাদের আজকের আলোচনা সম্ভবত সূরা তুরের সময় ছিল। কারণ সেখানে মুসা আলাইহি সালামের তর পর্বতের কথা এসেছে। সেই কারণে মুসা আলাইহি সালামের কিছু ঘটনা আগেও বর্ণনা করেছি। মুসা আলাইহি সালাম যে তোতলা ছিলেন সেটার
কারণ উনি ছোটবেলায় আগুন মুখে দিয়েছিলেন। এগুলো ইসরাইলিয়াতের মধ্যে আসছে। হ্যাঁ। এই ঘটনা। এযে সহিহ হাদিস আছে কিনা আমার জানা নাই। এটা আমি যতদ জানি ইসরাইলিয়াতের মধ্যে ঘটনাগুলো আসছে এটা সত্য হইতেও বা না হইতে পারে হ্যা এটা আমরা বলেছি ইসরাইলিয়াতের ক্ষেত্রে মূল নীতি হলো যে এটা বর্ণনা করা যাবে কিন্তু এটা নিশ্চিত হতে পারবো না আমরা ঠিক কিনা আচ্ছা লম্বা প্রশ্ন বেশি লম্বা প্রশ্ন বাদ দিয়ে যাই আরেক প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নাই ওয়ালাইকুম আসসালাম। মসজিদে কোরআনের অনুবাদ পাঠ শোনানো যাবে কিনা? হ্যাঁ বাধা নাই। যদি মানে আপনি বুঝাতে
চাচ্ছেন যে কোন একটা অনুষ্ঠান আলোচনা অনুষ্ঠান সেখানে আল কোরআনের অনুবাদ পড়ে শোনানো হচ্ছে মানুষকে। অথেন্টিক অনুবাদ যদি হয় তাহলে অনুবাদ শোনানো অনুবাদ পড়ার মতই ব্যাপার। তো এটা তো ভালো। তবে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে যেন কোরআন তেলাওয়াতের প্রতি মানুষকে ইয়ে করে না তোলে। এরকম যেন না হয় যে কোরআন তেলাওয়াতের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে মানুষ। শুধু অনুবাদ না তেলাওয়াতটাকেও উৎসাহ দিতে হবে। অনুবাদ পাওয়াটাকে উৎসাহিত হবে। ওয়ালাইকুম আসসালাম। বাথরুমে ঢোকার সময় দোয়া পড়বেন। হ্যাঁ। বাথরুমে প্রবেশের আগেই দোয়া পড়বেন।
অথবা প্রবেশের মুহূর্তে দোয়া পড়বেন। ওয়াইল রিমুভিং আনওয়ান্টেড হেয়ার ইফ ইউ আর ভেরি ডিফিকাল্ট ডজ ইট লিভ জব ইনকমপ্লিট এন্ড এফেক্ট তাহারা না পবিত্রতা প্রত্যেকটা চুল তুলে ফেলতে পারতো না আর পবিত্রতার উপর প্রভাব নাই আযানের দুই সাক্ষের পর যদি সময় না পেলে আযান শেষে পড়লে হবে কিনা কেউ কেউ বলছেন এটা আজান শেষে পড়া যায় অর্থাৎ মুয়াজ্জিন যখন বলেন আশাদুল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ তখন এর সাথে বলা ওনা আশহাদু আল্লাহ মুহাম্মাদ আব্দুস ইসলাম কেউ কেউ বলেছেন এটা সংক্ষেপ করে শুধু ওনাও বলা যায়না এতটুক
অথবা কেউ কেউ বলছে না আজানের পরেও বলা যায় হাজবেন্ড ওয়াইফ কি জামাতে তাহাজ্জুদ পড়তে পারবেন না হ্যাঁ পারবেন কাবার শপথ বললে শিরক হ্যাঁ কাবার শপথ বললে এটা ছোট শিরক হবে এনআইডিতে বেপর্দার ছবি করণীয় কি সম্ভব হলে চেঞ্জ করেন যদি ছবি চেঞ্জ করার অপশন থাকে ছবি চেঞ্জ করেন। কয়েকজন মিলে কোরআন খতম কি জিনিস এটার কোন সিস্টেম আমার জানা নাই। কয়েকজন মিলে কিভাবে খতম হয়? মানে আমি বাকারা পড়লাম, আরেকজন আল ইমরান পড়লো, আরেকজন নিসা পড়লো। তাইলে কারোই তো খতম হলো না। এটাকে খতম কেন বলা হচ্ছে? এবং এরকম দলিল আছে বলেও আমার জানা নাই।
এগুলো আমার দেশে তো ব্যবসার জন্য করে আর কিি ব্যবসা আগে আমাদের দেশে তো ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা তো মৃতকে মারা গেছে এখন তার জন্য খতম পড়তে হবে তো খতম পড়তে তো একজন করে দিলে করলে অনেক সময় লাগবে এজন্য 10 জন হুজুরকে ডাকলো একেকজন তিন পারা করে পড়লো এক দেড় ঘন্টার মধ্যে শেষ ব্যবসা ধর্মীয় ব্যবসা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা আর কি একামতে জবাব দেওয়া একামতের জবাব দেওয়ার দলিল নাই। একামতের জবাব দেওয়া আদানের মত এটা দলিল নাই। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপকে হত্যা করলো। এর হেকমত কি? এর হেকমত হচ্ছে তওবা। এই হত্যার মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাতালা
তাদের তওবার জন্য এটা নির্ধারণ করেছিলেন। যারা মারা গিয়েছে তাদের জন্য এটা শাহাদাত হিসেবে গণ্য হয়েছে। যারা বেঁচে ছিল তাদের জন্য তওবা হিসেবে গণনা হয়েছে। এখানে চিন্তা করে দেখেন যে মুরতাদ ধর্মত্যাগের শাস্তি কি? ধর্মত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদন্ডই। তো যারা শিরক করেছিল সবাইকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া যেত। কিন্তু আল্লাহ সুবহাতালা ভিন্নভাবে তাদের তব্যবস্থা করেছেন। গোসলে সাবান ইউজ না করলে কিছু না কোন অসুবিধা নাই। সাবান ব্যবহার জরুরি না। অবশ্যই গোসল হবে। হ্যাঁ। তাহারা কোর্স করেন। সাবান কই? সাবান সেই যুগে ছিল নাকি? কেউ যদি কনসিভ করে
এবং এ অবস্থায় স্পটিং হয় তাহলে এটা হায়েজ না। হায়েজ ধরবে না। হ্যাঁ। কারণ গর্ভবতীর হায়েজ হয় না। কাজেই নামাজ পড়বে। আপনারা অনেকে একই প্রশ্ন একাধিকবার করেন। হ্যাঁ একই প্রশ্ন একাধিকবার করেন না। আর আরেকটা হচ্ছে যে ইমেইল আমাকে রিকোয়েস্ট করে কখনো আগে কোন উত্তর আনতে পারবেন না আপনি। কারণ আমি ইমেইল যখন বসি তখন আমি উত্তর দেই। অনেকে বলেন যে দ্রুত উত্তর দিয়েন। আপনি ও ইমেইলের মধ্যে লিখলেন দ্রুত উত্তর দিয়েন। আপনার দ্রুত উত্তর দিয়েন কথাটা পড়বো কখন? যখন আপনার ইমেইলটা আমি পড়ছি তখন। আর তখন আমি এমনিতে উত্তর দিতেই বসছি। তাহলে ওই কথার কোন অর্থ
নাই। এগুলো আদবের খেলাফ। হ্যাঁ। এটা করবেন না। আমি আপনাদের উত্তর দামাদ উপকারই করতে চাই। কিন্তু এ ধরনের কথা কোন ফায়দাও নাই। এটা শুনতে ভালো লাগে না। ফেকুতারা কোর্স খুঁজে পাচ্ছে না। আপনারা সাপোর্ট@nasirs.com এ ইমেইল করলে এ ব্যাপারে হেল্প পাবেন। কোর্স করার ব্যাপারে যেকোন ইয়ের জন্য সাপোর্ট@.com ইমেইল করবেন। কারো শরীরে যদি পেশাব পেশাব লাগে অন্য কারো বলছেন যে অন্য কারো পেশাব লাগলে ধুয়ে ফেললে হবে। আবার অযু করতে হবে না। নাপাকি লাগলে কার নাপাকি? এটা তো কোন ব্যাপার না। মানে মোট কথা অযু করার পর গায়ে নাপাকি
লেগেছে। ধুয়ে ফেললেই হবে। শেষ পারা থেকে পড়া শুরু করে প্রথম পারায় এসে শেষ করলে খতম হবে কিনা? আলেমরা বলছেন যে না এটা কোরআন খতম দেওয়া বলে না এটাকে খতম সিরিয়ালে যেতে হয়। ঠিক আছে। আলহামদুলিল্লাহ আজকে এতটুকু থাকলো। যারা উত্তর পাননি ইমেইল করবেন দেরিতে হলেও আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি। ইনফোনাশ.com এ আজকে এতটুকুই। সুবহানাকম আশাদুল্লাহ আস্তাগফুরক