তাফসীর সিরিজ || বাক্বারা ৬-৭
অন্তর মোহর হলে? হেদায়েত হবে কিভাবে!
- Telegram: t.me/naseel
- YouTube: /@naseelshahrukh
- YouTube: /@২মিনিটকুরআন
আয়াত ৬-৭
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ سَوَآءٌ عَلَيْهِمْ ءَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ٦ خَتَمَ ٱللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ وَعَلَىٰ سَمْعِهِمْ ۖ وَعَلَىٰٓ أَبْصَـٰرِهِمْ غِشَـٰوَةٌ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ ٧
(৬) নিশ্চয়ই যারা কুফরীতে লিপ্ত, তাদেরকে আপনার সতর্ক করা বা না করা সমান; তারা ঈমান আনবে না! (৭) আল্লাহ তাদের হৃদয় ও কান মোহর করে দিয়েছেন এবং তাদের দৃষ্টির উপর পর্দা রয়েছে। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।
দুটি আয়াত একসাথে বোঝা
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَن يُشْرَكَ بِهِۦ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না — সূরা আন নিসা, ৪ : ৪৮, ১১৬
إِنَّ ٱللَّهَ يَغْفِرُ ٱلذُّنُوبَ جَمِيعًا
নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করেন — সূরা আয যুমার, ৩৯ : ৫৩
আলোচ্য আয়াতের বাহ্যিক অর্থ উদ্দেশ্য নয়
- অন্যান্য আয়াত ও হাদীসে দাওয়াত দেয়ার উৎসাহ দেয়া হয়েছে এবং তা কার্যকর হওয়ার উল্লেখ আছে
- সর্বশ্রেষ্ঠ প্রজন্ম সাহাবীরা সহ পরবর্তীতে বহু মানুষ সতর্কবার্তা পেয়ে কুফরী পরিত্যাগ করে ইসলামে প্রবেশ করেছে
- সালাফদের বক্তব্য
দলিল ১ — সূরা আল আনআম, ৬ : ১২২
أَوَمَن كَانَ مَيْتًا فَأَحْيَيْنَـٰهُ وَجَعَلْنَا لَهُۥ نُورًا يَمْشِى بِهِۦ فِى ٱلنَّاسِ كَمَن مَّثَلُهُۥ فِى ٱلظُّلُمَـٰتِ لَيْسَ بِخَارِجٍ مِّنْهَا ۚ كَذَٰلِكَ زُيِّنَ لِلْكَـٰفِرِينَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ١٢٢
যে মৃত অবস্থায় থাকার পর আমি তাকে জীবিত করেছি এবং তাকে এমন এক আলো দিয়েছি যা দিয়ে সে মানুষের মাঝে পথ চলে, সে কি এমন ব্যক্তির মত যে বহুবিধ অন্ধকারে ডুবে আছে – যা থেকে সে বের হওয়ার পথ পায় না? এভাবেই কাফেরদের দৃষ্টিতে তাদের কাজগুলোকে সুশোভিত করা হয়েছে।
ইবনু আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এর অর্থ: যে কাফের ছিল, ফলে আমি তাকে হেদায়েত দিয়েছি।
দলিল ২ — খাইবারের হাদীস
عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَوْمَ خَيْبَرَ: «لَأُعْطِيَنَّ هَذِهِ الرَّايَةَ غَدًا رَجُلًا يَفْتَحُ اللهُ عَلَى يَدَيْهِ، يُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ، وَيُحِبُّهُ اللهُ وَرَسُولُهُ». قَالَ: فَبَاتَ النَّاسُ يَدُوكُونَ لَيْلَتَهُمْ أَيُّهُمْ يُعْطَاهَا، فَلَمَّا أَصْبَحَ النَّاسُ غَدَوْا عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم كُلُّهُمْ يَرْجُو أَنْ يُعْطَاهَا، فَقَالَ: «أَيْنَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ؟» فَقِيلَ: هُوَ يَا رَسُولَ اللهِ يَشْتَكِي عَيْنَيْهِ، قَالَ: «فَأَرْسِلُوا إِلَيْهِ». فَأُتِيَ بِهِ فَبَصَقَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي عَيْنَيْهِ وَدَعَا لَهُ، فَبَرَأَ حَتَّى كَأَنْ لَمْ يَكُنْ بِهِ وَجَعٌ، فَأَعْطَاهُ الرَّايَةَ. فَقَالَ عَلِيٌّ: يَا رَسُولَ اللهِ، أُقَاتِلُهُمْ حَتَّى يَكُونُوا مِثْلَنَا؟ فَقَالَ: «انْفُذْ عَلَى رِسْلِكَ حَتَّى تَنْزِلَ بِسَاحَتِهِمْ، ثُمَّ ادْعُهُمْ إِلَى الْإِسْلَامِ وَأَخْبِرْهُمْ بِمَا يَجِبُ عَلَيْهِمْ مِنْ حَقِّ اللهِ فِيهِ، فَوَاللهِ لَأَنْ يَهْدِيَ اللهُ بِكَ رَجُلًا وَاحِدًا خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ يَكُونَ لَكَ حُمْرُ النَّعَمِ».
সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ খাইবারের দিন বললেন: আমি অবশ্যই আগামীকাল এই পতাকা এমন এক ব্যক্তিকে দেব, যার হাতে আল্লাহ বিজয় দান করবেন। সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলও তাকে ভালোবাসেন। তিনি বলেন, লোকেরা সারা রাত আলোচনা করতে লাগল, কে এটি পাবে। সকাল হলে সবাই রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এলো, প্রত্যেকে আশা করছিল যে তাকে এই পতাকা দেয়া হোক। তখন তিনি বললেন, আলী ইবনু আবি তালিব কোথায়? বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি চোখের অসুখে ভুগছেন। তিনি বললেন, তাকে ডেকে আনো। তাকে আনা হলে রাসূলুল্লাহ ﷺ তার চোখে লালা লাগিয়ে দিলেন এবং তার জন্য দোয়া করলেন, ফলে তিনি এমনভাবে সুস্থ হয়ে গেলেন, যেন তার কোনো রোগই ছিল না। এরপর তিনি তাকে পতাকা দিলেন। তখন আলী (রাঃ) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব যতক্ষণ না তারা আমাদের অনুরূপ হয়ে যায়? তিনি বললেন, তুমি ধীরে অগ্রসর হও, যতক্ষণ না তাদের এলাকায় পৌঁছাও। তারপর তাদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করো এবং এতে আল্লাহর যে অধিকার তাদের উপর রয়েছে তা তাদেরকে জানিয়ে দাও। কেননা আল্লাহর কসম! তোমার মাধ্যমে একজন মানুষকে আল্লাহ হেদায়েত করলে তা তোমার জন্য লাল উটের চেয়েও উত্তম।
— বুখারী (৩০০৯), মুসলিম (২৪০৬)
দলিল ৩ — ইহুদী কিশোরের হাদীস
عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: «كَانَ غُلَامٌ يَهُودِيٌّ يَخْدُمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، فَمَرِضَ، فَأَتَاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعُودُهُ، فَقَعَدَ عِنْدَ رَأْسِهِ، فَقَالَ لَهُ: أَسْلِمْ. فَنَظَرَ إِلَى أَبِيهِ وَهُوَ عِنْدَهُ، فَقَالَ لَهُ: أَطِعْ أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم، فَأَسْلَمَ، فَخَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَقُولُ: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْقَذَهُ مِنَ النَّارِ».
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ইহুদী কিশোর নবী ﷺ-এর খেদমত করত। সে অসুস্থ হলে নবী ﷺ তাকে দেখতে গেলেন এবং তার মাথার কাছে বসে বললেন: ইসলাম গ্রহণ করো। সে তার বাবার দিকে তাকাল, সে সেখানে উপস্থিত ছিল। তখন সে তাকে বলল: আবুল কাসিমের কথা শোনো। ফলে সে ইসলাম গ্রহণ করল। এরপর নবী ﷺ সেখান থেকে এ কথা বলতে বলতে বের হলেন যে, “সব প্রশংসা ঐ আল্লাহর, যিনি তাকে আগুন থেকে রক্ষা করেছেন।”
— বুখারী (১৩৫৬)
৬ নম্বর আয়াতে সালাফদের তাফসীর
- রাসূল ﷺ সকলের হেদায়েতের জন্য উদগ্রীব ছিলেন, ফলে তাঁকে আল্লাহ জানিয়ে দিলেন যাদের ভাগ্যে কুফরী নির্ধারিত তারা হেদায়েত পাবে না। — এতে রাসূলের জন্য সান্ত্বনা রয়েছে (ইবনু উসায়মীন)
- এটি ইহুদীদের পন্ডিত এবং আওস ও খাজরাজ গোত্রের মুনাফিকদের কিছু নির্দিষ্ট লোকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
- এটি কুরায়শ নেতৃবৃন্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যারা বদরের যুদ্ধে মারা যায়
কাজেই সালাফগণ একমত যে আয়াতটি সকল অবিশ্বাসীর জন্য প্রযোজ্য নয়।
(সূত্র: মাওসূআতুত তাফসীর আল মাসূর)
এই আয়াত প্রসঙ্গে মুফাসসিরদের বক্তব্য
১. সাঈদ আল মাক্ববুরীর বক্তব্য ২. ইমাম তাবারীর বক্তব্য ৩. ইবনুল কাইয়্যিম এর বক্তব্য ৪. ইবনু কাসীরের বক্তব্য
সাঈদ আল মাক্ববুরীর বক্তব্য
সাঈদ আল মাক্ববুরী বলেন, তাদের কুফরীর কারণে তাদের অন্তর মোহর করে দেয়া হয়েছে। — ইবনু আবী হাতিম ১/৪১
সংশ্লিষ্ট দুটি আয়াত
فَلَمَّا زَاغُوٓا۟ أَزَاغَ ٱللَّهُ قُلُوبَهُمْ
“তারা যখন বক্রতা অবলম্বন করল, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরকে বক্র করে দিলেন” (আস-সফ, ৫)
وَنُقَلِّبُ أَفْـِٔدَتَهُمْ وَأَبْصَـٰرَهُمْ كَمَا لَمْ يُؤْمِنُوا۟ بِهِۦٓ أَوَّلَ مَرَّةٍ
আমি তাদের অন্তর ও দৃষ্টিকে উল্টে দেব, কারণ তারা প্রথমবার [কুরআনের প্রতি] ঈমান আনেনি (আল-আনআম, ১১০)
ইমাম তাবারীর বক্তব্য
ইমাম তাবারী (র.) এই আয়াতের অর্থকে নিচের হাদীসের অনুরূপ গণ্য করেছেন:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا أَخْطَأَ خَطِيئَةً نُكِتَتْ فِي قَلْبِهِ نُكْتَةٌ سَوْدَاءُ، فَإِذَا هُوَ نَزَعَ وَاسْتَغْفَرَ وَتَابَ سُقِلَ قَلْبُهُ، وَإِنْ عَادَ زِيدَ فِيهَا حَتَّى تَعْلُوَ قَلْبَهُ، وَهُوَ الرَّانُ الَّذِي ذَكَرَ اللهُ: {كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ} [المطففين: ١٤]».
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: নিশ্চয়ই বান্দা যখন একটি গুনাহ করে, তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। যদি সে তা ছেড়ে দেয়, ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং তাওবা করে, তবে তার অন্তর পরিষ্কার হয়ে যায়। আর যদি সে আবার গুনাহে ফিরে যায়, তবে সেই দাগ বাড়তে থাকে, এমনকি তা তার অন্তরকে ঢেকে ফেলে। এটাই সেই প্রলেপ (রান), যার কথা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন: “না! বরং তাদের পাপ তাদের অন্তরকে ঢেকে দিয়েছে।”
— তিরমিযী (৩৩৩৪), ইবনু মাজাহ (৪২৪৪) প্রমুখ
ফলাফল
- তারা হেদায়েত দেখতে পায় না
- শুনে বুঝতে পারে না
- অন্তরে উপলব্ধি করতে পারে না
— ইবনু আব্বাস (রা.), কাতাদা (র.), মুকাতিল (র.) প্রমুখ থেকে বর্ণিত
৬-৭ আয়াতের সারমর্ম
- আল্লাহ অবিশ্বাসীদের সত্যের নিদর্শন দেখান, তাদের নিকট সত্যকে স্পষ্ট করেন
- শুরু থেকেই আল্লাহ অন্তর মোহর করে দেন না
- সত্যকে জানার পরেও কুফরীকে আঁকড়ে থাকলে শাস্তিস্বরূপ আল্লাহ অন্তরকে মোহর করে দেন
- এই মোহর থাকা অবস্থায় হেদায়েতের পথ বন্ধ থাকে, ফলে দাওয়াত কার্যকর হয় না
- গুনাহের প্রভাবেও অন্তরে প্রলেপ পড়ে যা শাস্তিস্বরূপ হেদায়েতকে আংশিক বা পূর্ণরূপে বাধাগ্রস্ত করতে পারে
- কাজেই গুনাহ হেদায়েতের পথে বাধা হতে পারে – এই ভয় রয়েছে
বাড়তি শিক্ষা
দাঈর কর্তব্য দাওয়াত পৌঁছে দেয়া, হেদায়েত নিয়ে অতিরিক্ত বিচলিত হওয়া উচিৎ নয়।
মানুষকে খুশি করতে ইসলামের শিক্ষাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে নিজের ধ্বংস ডেকে আনার কোন প্রয়োজন নেই!
গ্রামার
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ سَوَآءٌ عَلَيْهِمْ
নিশ্চয়ই যারা কুফরী করেছে, তাদের জন্য সমান
- كَفَرَ – كَفَرُوا۟
- عَلَيْهِمْ = عَلَىٰ (উপর/জন্য) + هِمْ (তাদের)
ءَأَنذَرْتَهُمْ
আপনি তাদেরকে সতর্ক করেছেন কিনা
- ء + أَنذَرْتَهُمْ (أَنذَرَ – أَنذَرْتَ + هُمْ)
أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ
আপনি তাদেরকে সতর্ক করেছেন কিনা নাকি তাদের আপনি সতর্ক করেননি
- لَمْ تُنذِرْهُمْ (أَنذَرَ – يُنذِرُ – تُنذِرُ + هُمْ)
ক্রিয়া বা ফি’লের (فِعْل) প্রকারভেদ
| প্রকার | অর্থ | উদাহরণ |
|---|---|---|
| মাযী (مَاضِي) | অতীত | خَلَقَ |
| মুদারি’ (مُضَارِع) | বর্তমান/ভবিষ্যৎ | نَعْبُدُ |
| আমর (أَمْر) | আদেশ | اِهْدِ |
لَا يُؤْمِنُونَ
তারা ঈমান আনবে না
- لَا يُؤْمِنُونَ (يُؤْمِنُ + ونَ)
পূর্ণ আয়াত ৬
إِنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ سَوَآءٌ عَلَيْهِمْ ءَأَنذَرْتَهُمْ أَمْ لَمْ تُنذِرْهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ ٦
নিশ্চয়ই যারা কুফরীতে লিপ্ত, তাদেরকে আপনার সতর্ক করা বা না করা সমান; তারা ঈমান আনবে না!
خَتَمَ ٱللَّهُ
মোহর করে দিয়েছেন আল্লাহ
عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ
তাদের অন্তরের উপর
- قُلُوبِهِمْ (قَلْب – قُلُوب + هِمْ)
وَعَلَىٰ سَمْعِهِمْ
এবং তাদের শ্রবণের উপর
- سَمْعِهِمْ = سَمْع + هِمْ
আল্লাহ তাদের হৃদয় ও কান মোহর করে দিয়েছেন
وَعَلَىٰٓ أَبْصَـٰرِهِمْ غِشَـٰوَةٌ
আর তাদের দৃষ্টির উপর পর্দা (রয়েছে)
- أَبْصَـٰرِهِمْ (بَصَر – أَبْصَار + هِمْ)
وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
আর তাদের জন্য মহাশাস্তি (রয়েছে)
- لَهُمْ = لَ (জন্য) + هُمْ (তাদের)
পূর্ণ আয়াত ৭
خَتَمَ ٱللَّهُ عَلَىٰ قُلُوبِهِمْ وَعَلَىٰ سَمْعِهِمْ ۖ وَعَلَىٰٓ أَبْصَـٰرِهِمْ غِشَـٰوَةٌ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ ٧
আল্লাহ তাদের হৃদয় ও কান মোহর করে দিয়েছেন এবং তাদের দৃষ্টির উপর পর্দা রয়েছে। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।