তাফসীর সিরিজ || বাক্বারা ১-৫

মুত্তাকীদের ৫টি বৈশিষ্ট্য — আমাদের মধ্যে আছে?

১) الله অর্থ কী? ২) তাকওয়ার সংজ্ঞা ৩) হেদায়েতের ২ প্রকার

Telegram: t.me/naseel | YouTube: youtube.com/@naseelshahrukh


ভূমিকা: সূরা বাক্বারার ফযীলত

لَا تَجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ مَقَابِرَ، إِنَّ الشَّيْطَانَ يَنْفِرُ مِنَ الْبَيْتِ الَّذِي تُقْرَأُ فِيهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ

তোমরা তোমাদের ঘরবাড়িকে কবরস্থান বানিও না। নিশ্চয়ই শয়তান ঐ বাসা থেকে পালায় যেখানে সূরা বাক্বারা পড়া হয়!

মুসলিম (৭৮০)


اقْرَءُوا الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَفِيعًا لِأَصْحَابِهِ، اقْرَءُوا الزَّهْرَاوَيْنِ الْبَقَرَةَ وَسُورَةَ آلِ عِمْرَانَ، فَإِنَّهُمَا تَأْتِيَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهُمَا غَمَامَتَانِ، أَوْ كَأَنَّهُمَا غَيَايَتَانِ، أَوْ كَأَنَّهُمَا فِرْقَانِ مِنْ طَيْرٍ صَوَافَّ، تُحَاجَّانِ عَنْ أَصْحَابِهِمَا، اقْرَءُوا سُورَةَ الْبَقَرَةِ فَإِنَّ أَخْذَهَا بَرَكَةٌ وَتَرْكَهَا حَسْرَةٌ وَلَا تَسْتَطِيعُهَا الْبَطَلَةُ

তোমরা কুরআন পাঠ করো, কেননা তা কিয়ামতের দিন এর পাঠকারীদের জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে। তোমরা দুই উজ্জ্বল সূরা, সূরা বাক্বারা ও সূরা আলে ইমরান পাঠ করো; কারণ উভয়ে কিয়ামতের দিন এমনভাবে আসবে যেন তা দুটি মেঘ বা দুটি সামিয়ানা, অথবা ডানা মেলে থাকা পাখির দুটি ঝাঁক, যারা তাদের পাঠকারীদের পক্ষ হয়ে বিতর্ক করবে। তোমরা সূরা বাক্বারা পাঠ করো; কারণ তা গ্রহণ করা বরকত, আর তা ছেড়ে দেওয়া আফসোসের কারণ, আর যাদুকররা তা মোকাবিলা করতে পারে না।

মুসলিম (৮০৪)


فَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: كَانَ الرَّجُلُ إِذَا قَرَأَ الْبَقَرَةَ وَآلَ عِمْرَانَ جَدَّ فِينَا

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তি সূরা বাক্বারা ও সূরা আলে ইমরান আয়ত্ত করলে আমাদের মাঝে তার মর্যাদা বেড়ে যেত।

আহমাদ (১২২৩৬)


আয়াত ১

الٓمٓ ١

(১) আলিফ-লাম-মীম

আল হুরূফ আল মুক্বাত্তাআহ (اَلْحُرُوفُ الْمُقَطَّعَة)

  • ২৯টি সূরার শুরুতে পাওয়া যায়
  • রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এ সম্পর্কে বিশুদ্ধ বর্ণনা নেই
  • মুফাসসিরগণ এর বিভিন্ন তাৎপর্য উল্লেখ করেছেন
  • আল-কুরআনের অলৌকিকত্বের দিকে ইঙ্গিত

الْحُرُوفُ الْمُقَطَّعَةُ فِي كِتَابِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ

হরফ সূরাসমূহ
الٓمٓ সূরা আল-বাক্বারা, সূরা আলে ইমরান, সূরা আল আনকাবুত, সূরা আর রূম, সূরা লোকমান, সূরা আস সাজদা
الٓر সূরা ইউনূস, সূরা হূদ, সূরা ইউসুফ, সূরা ইব্রাহীম, সূরা আল হিজর
الٓمٓر সূরা আর রাদ
طسٓمٓ সূরা আশ শুআরা, সূরা আল-ক্বাসাস
طسٓ সূরা আন-নামল
طه সূরা তা-হা
يسٓ সূরা ইয়াসীন
قٓ সূরা ক্বাফ
عٓسٓقٓ সূরা আশ শূরা
الٓمٓصٓ সূরা আল-আরাফ
كٓهيعٓصٓ সূরা মারইয়াম
صٓ সূরা সাদ
حمٓ সূরা গাফির, সূরা ফুসসিলাত, সূরা আয যুখরুফ, সূরা আদ-দুখান, সূরা আল জাসিয়া, সূরা আল-আহকাফ, সূরা আশ শূরা
نٓ সূরা আল-ক্বলম

হুরুফ মুক্বাত্তাআহ সম্পর্কিত বিবিধ মত

  • ইমাম তাবারী এর তাৎপর্য সম্পর্কে ১৩টি বক্তব্য উল্লেখ করেছেন — তাফসীর আত-ত্বাবারী, মুহাম্মাদ ইবনে জারির ত্বাবারী (৩১০ হিজরী)
  • ইবনুল জাওযী যাদুল মাসীর গ্রন্থে ৬টি ভিন্ন মতের কথা উল্লেখ করেছেন — যা’দুল মাসীর, ইবনুল জাওযী (৫৯৭ হিজরী)

মতসমূহ:

  • কারও মতে ইসমে আযমের প্রতি ইঙ্গিত
  • কারও মতে আল্লাহর নাম যার দ্বারা তিনি শপথ করেছেন
  • কারও মতে আল-কুরআনের নাম
  • কারও মতে সূরার নাম
  • কারও মতে এগুলো কিছু বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ

উৎস: তাফসীর ইবনু কাসীর (ইবনু কাসীর, ৭৭৪ হিজরী); তাফসীর ইবনু উসায়মীন (ইবনুল উসায়মীন, ১৪২১ হিজরী)


আয়াত ২

ذَٰلِكَ ٱلْكِتَٰبُ لَا رَيْبَ ۛ فِيهِ ۛ هُدًى لِّلْمُتَّقِينَ ٢

(২) এটি সেই কিতাব, যাতে কোনো সন্দেহ নেই, মুত্তাকীদের জন্য হেদায়েত।

ذَٰلِكَ

  • ذَٰلِكَ দূরবর্তী ইশারায় ব্যবহৃত হয়
  • তবে এখানে নিকটবর্তী ইশারা هَٰذَا অর্থে
  • তাৎপর্য: আল কুরআনের সুউচ্চ মর্যাদার প্রতি ইশারা করা

তাফসীর ইবনু উসায়মীন (১৪২১ হিজরী)

শব্দবিশ্লেষণ

  • فِيهِ = فِي (মধ্যে) + هِ (এর)

সন্দেহ না থাকার অর্থ

  • কোন সন্দেহ নেই যে আল-কুরআন সত্য
  • এতে এমন কিছু নেই যাতে সন্দেহ করা যেতে পারে
  • এটি রাব্বুল আলামীনের থেকে অবতীর্ণ হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ নেই

দলিল:

أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ ٱلْقُرْءَانَ ۚ وَلَوْ كَانَ مِنْ عِندِ غَيْرِ ٱللَّهِ لَوَجَدُوا۟ فِيهِ ٱخْتِلَٰفًا كَثِيرًا ٨٢

(৮২) তবে কি তারা আল-কুরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করে না? যদি তা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও থেকে আসত, তবে তারা এতে বহু অসংগতি পেত। সূরা আন নিসা, ৪ : ৮২

الٓمٓ ١ تَنزِيلُ ٱلْكِتَٰبِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِن رَّبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ٢

(১) আলিফ-লাম-মীম। (২) এই কিতাবের অবতরণ সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে – এতে কোন সন্দেহ নেই। সূরা আস সাজদা, ৩২ : ১-২

মুত্তাকীদের জন্য হেদায়েত

  • لِّلْمُتَّقِينَ = لِ (জন্য) + الْمُتَّقِينَ (মুত্তাকীদের)
  • রূপভেদ: اَلْمُتَّقِي – اَلْمُتَّقِينَ – اَلْمُتَّقُونَ

তাকওয়ার সংজ্ঞা

আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার মাধ্যমে তাঁর ক্রোধ ও শাস্তি থেকে আত্মরক্ষার নামই ‘তাকওয়া’। তাকওয়ার অধিকারীকে ‘মুত্তাকী’ বলা হয়।

হেদায়েত অর্থ

  • হেদায়েতের একটি অর্থ এমন জ্ঞান যা সত্যকে চিনিয়ে দেয়।
  • এ অর্থে আল-কুরআন সবার জন্য হেদায়েত।
  • হেদায়েতের দ্বিতীয় অর্থ সত্যের অনুসারী হওয়ার সামর্থ্য।
  • এই অর্থে আল-কুরআন সকলের জন্য হেদায়েত নয়।
  • কেবল মুত্তাকীরাই আল-কুরআনের অনুসরণ করে উপকৃত হয়ে থাকে।

আয়াত ৩

ٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِٱلْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ ٱلصَّلَوٰةَ وَمِمَّا رَزَقْنَٰهُمْ يُنفِقُونَ ٣

(৩) যারা গায়েবের প্রতি ঈমান রাখে, সালাত প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি যে রিযিক তাদেরকে দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে।

যারা গায়েবের প্রতি ঈমান রাখে

  • يُؤْمِنُونَ = يُؤْمِنُ (সে ঈমান আনে) + ونَ (তারা)
  • بِٱلْغَيْبِ = بِ (প্রতি) + اَلْغَيْب (গায়েবের)

গায়েবের প্রতি ঈমান

  • রাসূল ﷺ এর দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে ইন্দ্রিয় বহির্ভূত বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন
  • গায়েবের প্রতি ঈমানের মূলনীতিগুলো হল:
    • আল্লাহর প্রতি ঈমান
    • ফেরেশতাগণের প্রতি ঈমান
    • কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান
    • নবী-রাসূলগণের প্রতি ঈমান
    • মৃত্যুর পরের জীবনের প্রতি ঈমান
    • তাক্বদীর তথা ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি ঈমান
  • অন্ধ বিশ্বাস নয়!

এবং সালাত প্রতিষ্ঠা করে

  • يُقِيمُونَ = يُقِيمُ (সে প্রতিষ্ঠা করে) + ونَ (তারা)
  • ক্রিয়ারূপ: أقَامَ – يُقِيمُ – يُقِيمُونَ

গ্রামার — ক্রিয়া বা ফি’লের (فِعْل) প্রকারভেদ

প্রকার কাল উদাহরণ
মাদী (اَلْمَاضِي) অতীত خَلَقَ
মুদারি (مُضَارِع) বর্তমান/ভবিষ্যত نَعْبُدُ
আমর (أَمْر) আদেশ اِهْبِدْ

সালাত প্রতিষ্ঠার অর্থ

ইবনু আব্বাস (রা.)

  • ফরয কাজগুলো আদায়
  • রুকু-সিজদা-তিলাওয়াত পরিপূর্ণ করা
  • খুশূ, গুরুত্ব ও আগ্রহ সহকারে আদায় করা

আল হাসান (র.)

  • অযু
  • রুকু সিজদা
  • খুশূ
  • যথাসময়ে

কাতাদা (র.)

  • ওয়াক্তের হেফাযত করা
  • অযু
  • রুকু, সিজদা

মাওসূআতুত তাফসীর আল মাসূর

সারসংক্ষেপ:

  • যথাসময়ে আদায় করা
  • রোকন, শর্ত ও বাধ্যতামূলক কাজগুলো আদায় করা
  • পরিপূর্ণরূপে রুকু, সিজদা, তিলাওয়াত করা
  • খুশু ও মনোযোগ সহকারে ধীরস্থিরভাবে আদায় করা

এবং আমি যে রিযিক তাদেরকে দিয়েছি তা থেকে ব্যয় করে

  • رَزَقْنَٰهُمْ = رَزَقَ + نَا (আমরা) → رَزَقْنَا – رَزَقْنَٰهُمْ (আমরা রিযিক দিয়েছি তাদেরকে)
  • مِمَّا = مِنْ (থেকে) + مَا (যে/যা) → তা থেকে যে রিযিক আমরা দিয়েছি তাদেরকে
  • يُنفِقُونَ = أَنْفَقَ – يُنْفِقُ – يُنْفِقُونَ (তারা ব্যয় করে)

রিযিকের ব্যাখ্যা

যা কিছুর দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়, তার সবই রিযক। এর প্রচলিত অনুবাদ হল জীবিকা বা জীবনোপকরণ। রিযক দুই প্রকার: ১) যা দ্বারা দেহ টিকে থাকে। ২) যা দ্বারা দ্বীন টিকে থাকে। দেহকে টিকিয়ে রাখে যে রিযক, তা হলো খাদ্য, পানীয়, পোশাক, বাসস্থান, বাহন ইত্যাদি। আর দ্বীনকে টিকিয়ে রাখে যে রিযক, তা হলো জ্ঞান ও ঈমান।

ইবনু আতিয়্যাহ ১/৮৫, কুরতুবী ১/২৭২, ইবনু উসায়মীন, শারহুল আরবাঈন আন-নাওয়াবিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ১০১–১০২


আয়াত ৪

وَٱلَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ وَمَآ أُنزِلَ مِن قَبْلِكَ وَبِٱلْءَاخِرَةِ هُمْ يُوقِنُونَ ٤

(৪) আর যারা আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্বে যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে ঈমান রাখে; আর আখিরাতের প্রতি তারা নিশ্চিত বিশ্বাস পোষণ করে।

শব্দবিশ্লেষণ

  • أَنْزَلَ (তিনি নাযিল করেছেন) — أُنْزِلَ (নাযিল হয়েছে / অবতীর্ণ হয়েছে)
  • إِلَيْكَ = إِلَي (প্রতি) + كَ (তুমি/আপনি) → আপনার প্রতি
  • أُنزِلَ إِلَيْكَ → অবতীর্ণ হয়েছে আপনার প্রতি
  • مَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ → যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার প্রতি
  • بِ + مَآ أُنزِلَ إِلَيْكَ + يُؤْمِنُونَ → তারা ঈমান আনে তার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার প্রতি

নবীর প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা কী?

وَأَنزَلَ ٱللَّهُ عَلَيْكَ ٱلْكِتَٰبَ وَٱلْحِكْمَةَ

(১১৩) … আর আল্লাহ আপনার প্রতি ‘কিতাব’ ও ‘হিকমত’ অবতীর্ণ করেছেন … সূরা আন নিসা, ৪ : ১১৩

‘কিতাব’ হল আল-কুরআন আর ‘হিকমত’ হল আস-সুন্নাহইবনু কাসীর (৪/২৭০)

এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আপনার পূর্বে

  • مِن قَبْلِكَ = مِنْ قَبْلِ (পূর্বে) + كَ (আপনার)

আর আখিরাতের প্রতি তারা নিশ্চিত বিশ্বাস পোষণ করে

  • بِٱلْءَاخِرَةِ = بِ + ٱلْءَاخِرَةِ
  • يُوقِنُونَ = أَيْقَنَ – يُوقِنُ – يُوقِنُونَ

আয়াত ৫

أُو۟لَٰٓئِكَ عَلَىٰ هُدًى مِّن رَّبِّهِمْ ۖ وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُفْلِحُونَ ٥

(৫) তারাই তাদের প্রভুর থেকে আগত হেদায়েতের উপর রয়েছে, আর তারাই সফল।

শব্দবিশ্লেষণ

  • رَّبِّهِمْ = رَبِّ + هِمْ

রব্ব অর্থ

প্রভু | সৃষ্টিকর্তা | পরিচালনাকারী | প্রতিপালনকারী | রিযিকদাতা | সাহায্যকারী | সংশোধনকারী | পথপ্রদর্শনকারী

আর তারাই সফল

  • ٱلْمُفْلِحُ – ٱلْمُفْلِحُونَ

বালাগা

  • هُمْ সর্বনামটি আসায় সাফল্য তাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে (حَصْر) এবং অর্থ এই দাঁড়িয়েছে তাদের সাফল্য নিশ্চিত (تَأكِيد) — [আবু হাইয়ান, আলবাহরুল মুহীত ১/৭৩]
  • فَلَاح অর্থ: সকল কাঙ্ক্ষিত বিষয় অর্জন করা এবং সকল অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় থেকে রেহাই পাওয়া — ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত [ইবনু জারীর, ইবনু আবী হাতিম]

১-৫ আয়াতের শিক্ষা

  • যারা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলার মাধ্যমে তাঁর শাস্তি থেকে আত্মরক্ষা করতে প্রস্তুত, কেবল তারাই আল-কুরআন থেকে উপকৃত হবে
  • মুত্তাকীদের বৈশিষ্ট্য হল ঈমান, সালাত, দান, সকল ওহীর প্রতি ঈমান এবং আখিরাতের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস
  • সালাতের পাশাপাশি দানের গুরুত্ব
  • ব্যক্তিগত ইবাদতের পাশাপাশি সামাজিক ইবাদতের গুরুত্ব